হাসান মাহমুদ মূলত পেসার। গতকালও তিনি ৩ উইকেট নিয়েছেন। তবে বিকেলে ব্যাট হাতে তিনি হয়ে উঠেছিলেন পুরোদস্তুর ব্যাটসম্যান। মুশফিক হাসানের সঙ্গে অসাধারণ এক শেষ জুটিতে জয় এনে দেন তিনি ইস্ট জোনকে।
বগুঢ়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে বিসিএল ওয়ানডে টুর্নামেন্টেরতে মেহেদী হাসান মিরাজের সাউথ জোন করেছিলেন ১৮০ রান। সেই রান টপকাতে ইস্ট জোন নবম উইকেট হারায় ১৪১ রানে। সেখান থেকে হাসান ও মুশফিক অবিচ্ছিন্ন ৪১ রানের জুটিতে জিতিয়ে দেন দলকে। জুটিতে অগ্রণী ছিলেন হাসান। সত্যিকারের ব্যাটসম্যানের মতোই মুশফিককে আগলে রেখে দলকে জয়ের ঠিকানায় নিয়ে যান তিনি। ৫ চারে অপরাজিত থাকেন তিনি ৩৫ রানে। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ৮১ ম্যাচের ক্যারিয়ারে তার সেরা ইনিংস এটি। জুটিতে মুশফিকের অবদান ছিল কেবল ৪ রান। তবে ৩৫টি বল খেলেন ইস্ট জোনের ১১ নম্বর ব্যাটসম্যান।
জিতে অবশ্য খুব বেশি লাভ হয়নি ইস্ট জোনের। তাদের বিদায় নিশ্চিতই ছিল। হেরে সর্বনাশ হয়ে গেছে সাউথের। জিতলে ফাইনালে যেতে পারতো তারা তিন খেলা দুই জয় নিয়ে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
সাউথ জোন ৪৩.২ ওভারে ১৮০ (আনিসুল ৫০, সৌম্য ৯, আজিজুল ১৫, আফিফ ২৪, মিঠুন ১০, সোহান ০, মিরাজ ৪, রবিউল ৩১, শহিদুল ২৮, তানভির ০, রুয়েল ০*; হাসান ১০-০-৫৫-৩, মুশফিক ৭-১-৩৪-১, নাঈম ১০-২-২৪-৩, নাসুম ৮.২-১-২৭-২, খালেদ ৮-১-৩৮-১)।
ইস্ট জোন ৪৭.৩ ওভারে ১৮১/৯ (জাকির ১৬, পারভেজ ৪, শাহাদাত ৪২, মুমিনুল ২৯, ইয়াসির ৬, জাকের ৫, নাসুম ০, নাঈম ২০, খালেদ ৫, হাসান ৩৫*, মুশফিক ৪*; রবিউল ৯.৩-০-৪০-১, মিরাজ ১০-২-৩২-২, শহিদুল ৩-১-১৭-১, রুয়েল ৩-০-১২-০, তানভির ১০-১-২৫-১, আজিজুল ৩-০-১৯-০, সৌম্য ৯-১-৩২-৪)।
ফল: ইস্ট জোন ১ উইকেটে জয়ী।
ম্যান অব দা ম্যাচ: হাসান মাহমুদ।
হৃদয় ম্লান জিশানের মারকুটে সেঞ্চুরিতে, ৩২৩ তাড়া করে জয় সেন্ট্রালের