পাঠ্যক্রম সংস্কার ও পরীক্ষা পদ্ধতি পরিবর্তনের তাগিদ

আপডেট : ০১ মার্চ ২০২৬, ০৭:৪১ এএম

পরীক্ষার চাপ কমিয়ে কোচিং ও নোট-গাইডের ব্যবহার কমানো, অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক করা এবং বাজেটে শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দসহ এ খাতের উন্নয়নে এক গুচ্ছ প্রস্তাব দিয়েছে গণসাক্ষরতা অভিযান।

গতকাল শনিবার ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরে শিক্ষা নিয়ে কাজ করা বেসরকারি সংস্থাগুলোর এ মোর্চা। শিক্ষা খাতে বাজেট বাড়ানোসহ ১২ দফা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে গণসাক্ষরতা অভিযান একগুচ্ছ প্রস্তাব তুলে ধরতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

লিখিত বক্তব্যে নিজেদের পরামর্শগুলো তুলে ধরেন গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘আমরা পাবলিক পরীক্ষাকে বেশি গুরুত্ব দেই কিন্তু শ্রেণিকক্ষের শিক্ষার মানের দিকে গুরুত্ব দিচ্ছি না। অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষাকে অবৈতনিক করা হলে সাধারণ মানুষের শিক্ষা লাভের সুযোগ বাড়বে।’

বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি তা সঠিকভাবে বণ্টন এবং সঠিক ব্যবহারের তাগিদও দেওয়া হয় সংবাদ সম্মেলনে। শিক্ষা খাতে বাজেটে ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ইলেক্ট্রনিক ব্যবস্থা তদারকির প্রস্তাব তুলে ধরেন রাশেদা কে চৌধুরী। সব শিক্ষার্থীর জন্য মিড-ডে মিলের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি স্কুল থেকে ছাত্রীদের ঝরে পড়া কমাতে পিরিয়ডকালীন স্বাস্থ্যের বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়ার দাবি জানান তিনি। সরকারের দেওয়া বাকি সব পরামর্শ বাস্তবায়নের জন্য গণসাক্ষরতা অভিযানের অভিযানের তরফে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। শিক্ষায় রোবোটিক্স বা আইসিটির দিকে নজর দেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সততা ও নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করার তাগিদ দেওয়া হয়। সাধারণ শিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষার ন্যূনতম মান নির্ধারণ করার প্রস্তাবও তুলে ধরা হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত