শুটিংয়ের সময় সহশিল্পী সামিয়া অথৈকে মারধরের অভিযোগ উঠছে অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে। ফেসবুক লাইভে অথৈ জানান, আজ মঙ্গলবার মানিকগঞ্জে রাফাত মজুমদার রিংকুর নাটকের শুটিং সেটে তাঁকে সজোরে চড় মেরে ও খামচি দিয়ে রক্তাক্ত করেছেন তিশা।
শুটিং সেটে মারধরের শিকার হওয়ার পর আজ বিকেলে একাই ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন সামিয়া অথৈ। গাড়িতে বসে ফেসবুক লাইভে কাঁদতে কাঁদতে ঘটনার বিস্তারিত জানান অভিনেত্রী। সামিয়া অথৈ বলেন, ‘২ মার্চ আমার প্রথম দৃশ্যের সময় তানজিন তিশা আপু স্ক্রিপ্টের বাইরে গিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে জোরে খামচি দিয়ে হাতে রক্তাক্ত করে ফেলেন। আমি সহ্য করে ছিলাম। কিন্তু ৩ মার্চ (মঙ্গলবার) শেষ দৃশ্যের শুটের সময় উনি আমাকে মারা শুরু করেন। সবার সামনে এত জোরে জোরে মেরেছেন যে আমার গাল ও চোখ ফুলে গেছে। আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করেছি, কেন মারলেন আমাকে? এরপর উনি আমাকে গালাগালি শুরু করেন।’
সামিয়া অথৈ আরও বলেন, ‘আমি অভিনয়শিল্পী সংঘকে জানাব—এমন কথা বলার পর তিশা আপু বলেন, ভাইরাল হতে চাও? আমি জানি না উনি কিছু খেয়েছেন কি না। সোমবারেও উনি খুব অস্বাভাবিক আচরণ করেছেন। ৪০-৫০ মিনিট বাথরুমে থাকতেন। উনি কী খান আমি জানি না। উনার শরীর থেকে গন্ধ আসে। কেমন জানি পাগলের মতো ব্যবহার করছিলেন। এটা সেটের সবাই দেখেছেন। আমি বিষয়টি অভিনয়শিল্পী সংঘকে জানাব। একজন সিনিয়র শিল্পী যদি তার সহশিল্পীকে এভাবে মারে, খারাপ ব্যবহার করে; সেটা তো মেনে নেওয়া যায় না।’ অভিনেতা শহীদুজ্জামান সেলিম, নির্মাতা রাফাত মজুমদার রিংকুসহ সেটের সবাই তিশার মারধরের ঘটনা দেখেছেন বলে জানান অথৈ।
অথৈ আরও অভিযোগ করেন, দুই বছর আগে থেকে তিশা তাঁকে দেখতে পারেন না। এর পেছনের কারণ মুশফিক ফারহান। ফারহানকে নিজের স্বামী দাবি করে তাঁর সঙ্গে কাজ করতে নিষেধ করেছিলেন তিশা। পুরোনো সেই ক্ষোভ থেকেই দৃশ্যধারণের সুযোগ নিয়ে তিশা মারধর করতে পারেন বলে মনে করেন অথৈ। অভিযোগ প্রসঙ্গে তানজিন তিশার বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। নির্মাতা রিংকুর ফোন নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়।
ব্র্যাক ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর হলেন মো. শাহীন ইকবাল ও আহমেদ রশীদ জয়
চট্টগ্রামে বিদেশি অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেপ্তার ২
তারেক রহমান বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদ : সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স