ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণের কারণ নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
হোয়াইট হাউসে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিক মার্জ-এর সঙ্গে বৈঠকের সময় ট্রাম্প বলেন, তিনি হামলার নির্দেশ দিয়েছেন কারণ তার বিশ্বাস ছিল ইরান আগে আঘাত হানতে যাচ্ছিল। ট্রাম্পের ভাষ্য, 'আমরা পদক্ষেপ না নিলে তারাই আগে হামলা চালাত।' তিনি দাবি করেন, সিদ্ধান্তটি ছিল প্রতিরোধমূলক এবং ইসরায়েলের চাপে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে জড়ায়নি।
তবে একদিন আগে রুবিও সাংবাদিকদের বলেন, সম্ভাব্য ইসরায়েলি হামলার জবাবে ইরান মার্কিন বাহিনীর ওপর পাল্টা আঘাত হানতে পারে—এই আশঙ্কা থেকেই যুক্তরাষ্ট্র আগাম পদক্ষেপ নেয়। তার মতে, এতে মার্কিন হতাহতের ঝুঁকি কমানো সম্ভব হয়েছে।
এদিকে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে 'উসকানিবিহীন' বলে অভিহিত করেছে।
দুই শীর্ষ কর্মকর্তার ভিন্ন বক্তব্যে ডেমোক্র্যাটদের পাশাপাশি কিছু রক্ষণশীল বিশ্লেষকও সমালোচনা করেছেন। তাদের অভিযোগ, প্রশাসন একটি ইচ্ছাকৃত যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে।মার্কিন ডানপন্থী ভাষ্যকার মেগান কেলি এই পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্রের নীতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত আমেরিকার নিজস্ব স্বার্থ রক্ষা করা। তিনি এ সংঘাতকে 'স্পষ্টতই ইসরায়েলের যুদ্ধ' বলে মন্তব্য করেন।
