জীবনবোধে উজ্জ্বল কবির প্রয়াণ

আপডেট : ০৬ মার্চ ২০২৬, ১২:৩৬ এএম

কবি জাহানারা আরজু বিদায় নিলেন গত ২ মার্চ। সৃজনশীলতায় তিনি ছিলেন সমর্পিতচিত্ত। গত শতকের পঞ্চাশের দশকে এই ভূখণ্ডে যে কজন কবিসত্তা কাব্য হৃদয়ে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছিলেন, তাদেরই এক প্রজ্জ্বল প্রতিনিধি। তার কলম ছিল সোচ্চার, সুনিপুণ শব্দের রচনা সম্ভারে পরিপূর্ণ। বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষিতা মহিলা শব্দ শিল্পীদের অগ্রজপ্রতীম এই কবির রচনাশৈলী বৈশিষ্ট্যে সমুজ্জ্বল, আর সে কারণে সর্বজনীন কবি হিসেবেই তিনি সময়ের স্বীকৃতি লাভ করেন। কবিতা, ছড়া, ছোটগল্প, নাটক, স্মৃতিকথা, প্রবন্ধ রচনা এবং সাময়িকী সম্পাদনার ক্ষেত্রেও তিনি ছিলেন সফল সংগঠক, বেগম পত্রিকা সম্পাদিকা নূরজাহান বেগমের সহযাত্রী। ত্রিশের দশকে রবীন্দ্র-নজরুল উত্তর বাংলা কবিতায়, যে নতুন সুরের সূচনা হয় অনেক বাদ প্রতিবাদ সাফল্য সংশয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তা যে অবয়ব লাভ করেছিল, সে  প্রেক্ষিতে বিগত ৫৪ বছরে বাংলাদেশের জনগণ প্রত্যক্ষ করেছে অনেক বিচিত্র ঘটনা নাটকীয় উপাখ্যান। সময়ের প্রেক্ষাপটে ঘটেছে আনন্দ- বেদনার সংশয় সন্দেহের সংহতি বিচ্ছিন্নতার অনেক ঘটনা। মূল্যবোধগত  চেতনায় আবেগ অনুভূতিতে, আচার আচরণে প্রকাশ পেয়েছে অনেক পরিবর্তন। জাহানারা আরজুর কবিতায় পরিবর্তনের এ প্রেক্ষাপটে সমকালীন চেতনা চরিত্রের স্পর্শ পাওয়া যায়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর চল্লিশের দশকের শেষভাগে জাহানারা আরজু সাহিত্য জগতে প্রবেশ করেন এবং পঞ্চাশের দশকেই সুধী সমাজের দৃষ্টি আকর্ষণে সমর্থ হন। বায়ান্নর মহান ভাষা আন্দোলনকে ধারণ করে তার কবিসত্তা অপূর্ব স্ফূর্তি নিয়ে ক্রম পরিণতির দিকে অগ্রসর হয়। বিচিত্র জীবনবোধে অবগাহন করে, জীবনের উত্থান-পতন পেরিয়ে আধুনিক বাংলা কবিতায় নবধারা সংযোজনের প্রাথমিক প্রচেষ্টায় তিনি শরিক হন এবং অন্যদের মতো পুরনো ও নতুন উভয় কাব্যধারাতেই অবগাহন করতে থাকেন। সে কারণে তার কবিতায় কখনো সনাতন বিষয় নতুন পোশাকে,  কখনো বা নতুন প্রসঙ্গ পুরনো রীতিতে বর্ণিত হতে দেখা যায়। তার কবিতায় নগর জীবন বর্তমানের প্রেক্ষিতে হিসেবে এবং গ্রামীণ জীবন অতীত স্মৃতি হিসেবে শৈশব শব্দাবলির সাজে সজ্জিত। তার কবিতায় একদিকে আছে বেদনা ও বঞ্চনার দাবদাহ তথা মানুষের আর্তি আর একদিকে নিসর্গ প্রেমপ্রীতি, রোমান্টিকতা। যুগ যন্ত্রণাদগ্ধ এবং অপসৃয়মান সামাজিক মূল্যবোধের করুণ রাগিনীতে ঘর গৃহস্থালির শব্দ, আটপৌরে পারিবারিক জীবন, মায়ামমতায় ঘেরা ছায়া সুনিবিড় মাতৃস্নেহের অকৃপণ উপস্থিতি এক অনুপম জীবন জিজ্ঞাসার জন্ম দেয়। সুনির্বাচিত শব্দের অনুপ্রাস, সহজ সরল রসগ্রাহী ভাষার বাঁধন এবং উজ্জ্বল উপমা রূপকের অন্তরঙ্গ অনুপ্রেবেশের ফলে তার কবিতায় বাংলাদেশের জীবনদর্শন চলচ্চিত্রের মতো সবাক হয়ে উঠছে। একজন কবি শব্দের আখরে তার চৈতন্যলোকের ছবি আঁকেন। পরিপার্শ্বের প্রতিবেশ পরিস্থিতি তার একান্ত অনুভূতির সরোবরে যে আলোড়ন সৃষ্টি করে তাই-ই তার বাকপ্রতিমায় প্রকাশ পায়। নিজের কবিতা সম্পর্কে জাহানারা আরজুর ‘আত্মকথন’ সুখ-দুঃখ আশা-নিরাশা, প্রেম-প্রকৃতি জীবন-মৃত্যু আমার অনুভূতির সরোবরে নিয়ত যে ছায়া ফেলেছে, তারই প্রকাশ আমার কবিতা। সেই সাথে বিম্বিত হয়েছে আমার স্বদেশ-মাটি-মানুষ, জীবনের উত্থান। এ ছাড়াও কখনো কখনো আমি বৃহত্তর মানবগোষ্ঠীর কথা চিন্তা করেছি। সর্বকালের সব মানুষের সুখ-দুঃখ, অনাচার, নিপীড়ন আমাকে আন্দোলিত করেছে। দুঃখে ভারাক্রান্ত হয়েছি. আনন্দে উদ্বেলিত হয়েছি। আমার জীবনের বৃহত্তর ব্যাপ্তি আমার কবিতা। (ভূমিকা স্বনির্বাচিত শত কবিতা, ১৯৮৬)। সমাজমনস্ক শব্দশিল্পীর লক্ষ্যমাত্রা নন্দনতাত্ত্বিক কলাবিদের চেয়ে ভিন্নমাত্রিক এবং সংগতকারণে তার সৃষ্টিকুশল কিছুটা উদ্দেশ্য ও বক্তব্য প্রধান।

বক্তব্য প্রধান কাব্যশৈলীর নির্মাতা কবি জাহানারা আরজু সন্তানতুল্য মনে করেন তার কবিতাকে। তার কাব্যকর্মে, বাকপ্রতিমার কোষে কোষে মাতৃত্বের ছাপ লক্ষ্য করা যায়। হৃদয় নিংড়ানোর স্নেহ ও ভালোবাসা দিয়ে সযতেœ সন্তানের মতো করে গড়ে তোলেন তার কবিতাকে। কবিতা তার বিবেচনায় অস্তিত্বহীন বায়বীয় বিলাসের বস্তু নয় বরং তা যায়। হৃদয় নিংড়ানো স্নেহ ও ভালোবাসা দিয়ে সযতেœ সন্তানের মতো করে গড়ে  তোলেন সংগঠনের সংহতির অনুপ্রেরণা, কবিতা প্রতিবাদ, প্রত্যয় ও প্রাণচাঞ্চল্য প্রকাশের ‘বলিষ্ঠ মনশ্চক্রবালের নিখাদ নিষ্ঠার প্রকৃষ্ট প্রকাশ। কবিতা-সৃষ্টির, ভালোবাসার, অবলম্বন। তাই সব ‘কুদৃষ্টি এড়িয়ে’  বোশেখের ছোবল ‘ভারী বুটের পিষ্ট পদতল’ ‘শত্রুর বোমার বিমান হামলা’ থেকে কবিতাকে রক্ষা করার প্রচণ্ড প্রতিজ্ঞা তার ‘আমার শব্দে আজন্ম আমি’ (দ্বিতীয় সংস্করণ ১৯৮৯) কাব্যগ্রন্থভুক্ত কবিতাগুলোতে উচ্চারিত হয়েছে। কবিতাকে বলিষ্ঠদেহ করতে তার ঐকান্তিক প্রয়াসে নেই এতটুকু কমতি। ‘বার বার ঝালাই করে’ চুম্বনে আঘ্রাণে সবটুকু ‘কলুষ কালিমা মুচে নিয়ে’ ‘দৃষ্টির স্নেহ বৃষ্টি দিয়ে ধুয়ে ধুয়ে’ ‘কাচের মতো স্বচ্ছ করে’ তোলেন কবিতাকে। মূল্যায়নের পাথরে ঘষে বারবার যাচাই করেন ‘কোনো খুত আছে কিনা’। কখনো নির্মম শল্যবিদের মতো কেটে ফেলেন অপাঙ্ক্তেয় অংশ যদি থাকে কিছু। এক্ষেত্রে তিনি নিজেই তার সৃষ্টির সমালোচক। চর্যাপদের প্রাচীন কাব্য, প্রেম প্রকৃতির ধ্রুপদি আখ্যান তার কবিতার শরীরে বিশেষ আভিজাত্যে অবস্থান নেয় যা তাকে ঐতিহ্য সচেতন, নৈসর্গিক কবি আত্মার পরিচয় প্রদান করে। শবরী বালাকে নিয়ে বাংলার আদি কবিরা ‘চর্যার চত্বরে’ মেতেছিল ‘দোহা গাঁথার গীতালী আসরে আবেগতপ্ত কথার কুড়িতে। তিনি নিজেকে মনে করেন, সেই আদি বাংলার কবিতা ‘নীল শিখি পুচ্ছ কবরীতে গোঁজা’ ‘সেই শবরী বালা।’ পরিবেশ, সময় ও সমাজ সচেতন এই আধুনিক কবি লক্ষ্য করেন ‘চর্যার হরিণী’ তার আজ ভয়ে পালায়। হরিণীর ‘তপ্ত মাংসের রসনার স্বাদে’ তাকে ঘিরে লোলুপ জিহ্বায় ধেয়ে আসে হিংস্র বন্য-বরাহ স্বাপদ-আসে ব্যাধ মনুষ্য কুলের, স্থির লক্ষ্যে হানে শর। কবি তার চারদিকে প্রত্যক্ষ করেন এক শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশ। ‘ভীষণ একদল নরখাদক পশু এসে মিশে গেছে মানুষের ভিড়ে’ তারা ‘পান করছে মানুষের রক্ত এখন।’ কিছু আধমরা মানুষ নামের জীবেরা বেহুঁশ আচ্ছন্নতায় নির্বিকার। এখানে ওখানে গলিত লাশ মানুষের সবই যেন গা সওয়া এখন। ‘শব মেহের তোমার জন্য’ কবি জাহানারা আরজুর একটি অনবদ্য সৃষ্টি। ধর্ষিতা কিশোরী শবমেহেরের মর্মান্তিক মৃত্যুতে কবির মনে যে তীব্র বেদনাবোধের সঞ্চার হয় তারই বাণীরূপ এই কবিতা। শবমেহেরের নিষ্পাপ চিরনিদ্রিত মুখটাকে স্মরণ করে ‘কবি কত রাত ঘুমাতে পারেননি। প্রতি ঘরের কন্যা কিশোরীর মুখে তিনি শবমেহেরের মুখের প্রতিচ্ছবি দেখতে পান। শবমেহেরের মুখ ‘স্বর্গীয় সৌন্দর্যে দীপ্র’ ‘শ্যামল কচি পাতার মতো নিষ্পাপ সুন্দর।

কবিতাটি শোকগাঁথা কিন্তু কবি শোকে অভিভূত হয়ে বেদনার বিবৃতি দিয়েই ক্ষ্যান্ত হননি তিনি নির্মম বাক্যবাণে আঘাত  হেনেছেন নষ্ট সমাজের প্রতি ‘আমার কলমের কালির বদলে যদি প্রচ- আগুন জ¦লত তাহলে আমি পুড়িয়ে ফেলতাম ওই দিনে দিনে জমে ওঠা পুঞ্জীভূত পাপরাশির পাহাড়টাকে। কবিতাটির অনন্য আবেদন এবং চিত্রনাটকীয় বাণী বিন্যাসের কারণে এটি অবলম্বনে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মিত হয় এবং এর ফলে শবমেহের একটি আন্দোলনে রূপ লাভ করে। একটি কবিতা সামাজিক আন্দোলনকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে এটি নিঃসন্দেহে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। মহান ভাষা আন্দোলন এবং একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের জাতীয় জীবন চৈতন্যে এক অবিনশ্বর অধ্যায়। একুশে ফেব্রুয়ারি একটি জাতির আত্মপরিচয় প্রতিষ্ঠার প্রেরণা, সৃষ্টি মুখরতার দ্যোতক, মূল্যবোধ ও নবজাগতির মন্ত্রণাদাত্রী। এই একুশে ফেব্রুয়ারিকে এককভাবে একটি কাব্যগ্রন্থে রূপায়ণের পথিকৃৎ বেগম জাহানারা আরজু। স্বনির্বাচিত একুশে ফেব্রুয়ারির কবিতা নিয়ে তার কাব্যগ্রন্থ ‘শোনিতাক্ত আখর’ প্রকাশিত হয় মহান মুক্তিযুদ্ধের বছরে ১৯৭১-এ। বর্ধিত কলেবরে এই কাব্যগ্রন্থের পাঁচ সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে। দ্বিতীয় সংস্করণ থেকে কবির স্বামী প্রয়াত বিচারপতি এ. কে. এম নুরুল ইসলাম (বাংলাদেশের প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি) কৃত ইংরেজি অনুবাদ ‘ইষড়ড়ফ ঝসবধৎবফ অষঢ়যধনবঃং’ কাব্যগ্রন্থটির সঙ্গে সংযুক্ত হয়। এর ফলে আমাদের একটি ঐতিহাসিক ঘটনাকে নিবেদিত পঙ্তিমালা সারা বিশ্বের পাঠ সামগ্রীতে পরিণত হয়।

জাহানারা আরজুর দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘রৌদ্র ঝরা গান’ (১৯৬৪)-এ তার সত্তার নিরা গভীরে নীড় বাঁধা ছোট্ট এক বিন্দু মুক্তার মতো দ্যুতি জে¦লে তার যে প্রথম প্রেম সাক্ষাৎ পাওয়া যায়। নিজের আত্মগত আবিষ্কার থেকে স্বজাত্যবোধ এবং দেশের জন্য ভালোবাসা পরবর্তীকালে তার কাব্যভাবনার অন্যতম অনুষঙ্গ হয়ে থথথ। তিনি এমন একটি বাসভূমির স্বপ্ন দেখেন এবং সে বাসভূমিতে পায়ের তলায় এমন এক টুকরো মাটি প্রত্যাশা করেন, যে মাটি ভাসিয়ে নেবে না কোনো ঝড়-জলোছ¡াস। তার স্বদেশ ভূমি তার বুকের গভীরে দিন-রাত কথা বলে, তার জাগরণে কর্মকোলাহলে, দুঃখের দাবানলে, কখনোবা খুশির পুষ্পিত থথথ। তিনি ভালোবাসায়, বেদনায়, তৃষ্ণায় পাওয়া, না পাওয়ার শোকে শান্তিতে এ হিজড়ে থাকতে চান। তার স্বদেশে কানুপা চণ্ডীদাস বিদ্যাপতি আলাওল স্থির নিশানায় তাকে পথ দেখায়, তার দুচোখের বিন্দুতে তিনি তার আপন ভুবনে ফিরে আসেন। তার দেশপ্রেমমূলক কবিতাসমূহে আবহমান বাংলার নানা চিত্রকল্প নিখুঁত অবয়বে বাক্সময় হয়ে ওঠে, মটরশুঁটির নীল ফুল, ‘টসটসে কুল’ ‘আধখানা বাদুড় খাওয়া পেয়ারা’, ‘রক্তলাল শাপলা’ ‘প্রথম বৈশাখের ঝড়ে’ কুড়ানো কাঁচা আম ‘সবুজ সতেজ লাউ’ ‘হৈমন্তি সেনাবান’ জেলে ডিঙির পাটাকনে লুকানো রুপালি মাছ ‘ছনের কুটির’ ছায়া নিকানো উঠোন প্রভৃতি শব্দাবলি এক অতি আন্তরিকতার স্পর্শে পাঠকের স্মৃতিতে অবকাশ ইদানীং বড় দুর্লভ। কবি জাহানারা আরজু সেতুবন্ধন রচনা করতেন অতীতের সঙ্গে বর্তমানের। পঞ্চাশের দশকের সেই কাব্যিক মেজাজ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। আধুনিকতম কবিতায় জীবনের অন্তর্গত এসব স্মৃতিমন্থনের নব্বইয়ের দশকে কবিতার শারীর নির্মাণে এখনো নিবিড় নৈপুণ্যে ভাস্বর। শব্দের সুনিপুণ ব্যবহার, আনুপ্রাসিক শব্দ তরঙ্গ দোলা, দেশজ উপমা উৎপ্রেক্ষার ব্যবহার জাহানারা আরজুর কাব্যশৈলীর চিরন্তন বৈশিষ্ট্য। তার কবিতায় ঐতিহ্য চেতনা, পৌরাণিক বিষয়বস্তু ব্যবহার, বিদ্রোহ ও গণমুখী বলিষ্ঠ বক্তব্য পেশের পাশাপাশি আধ্যাত্মিক প্রেম ও ভাব প্রকাশে তার উত্তরণ বিশেষভাবে লক্ষণীয়। মানবতার অপমানে বিক্ষুব্ধতার বহিঃপ্রকাশে, মূল্যবোধের অবক্ষয়জনিত অসহায় পরিবেশ পরিস্থিতিতে সরব সোচ্চারে এই কবিসত্তাকে ক্রমান্বয়ে আমরা সম্পন্ন মানবতাবাদী প্রবক্তা হিসেবে অবতীর্ণ হতে দেখেছি। অত্যন্ত বলিষ্ঠ প্রত্যয়ে দ্বিধাহীনচিত্তে তিনি তুলে ধরেন সমকালীন সময়ের বাস্তব চালচিত্র। সত্যভাষণ, তীক্ষè মূল্যবোধের সুতীব্র প্রকাশ তার কাব্য সাধনার সারবস্তু। তার এই আদর্শিক বৈশিষ্ট্যের অব্যাহত অগ্রগতি ক্ষয়িষ্ণু মুমূর্ষু মানবতার শুভ কল্যাণ সাধনে একান্ত জরুরি।

লেখক: সাবেক সচিব ও গবেষক

[email protected]

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত