তৃতীয় নারী ক্রীড়াবিদ হিসেবে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ স্বাধীনতা পদকে ভূষিত হতে যাচ্ছেন টেবিল টেনিস তারকা জোবেরা রহমান লিনু। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ১৫ জন স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্তির যে তালিকা ঘোষণা করা হয় সেখানে ক্রীড়া ক্ষেত্রে অবদানের জন্য লিনুর নামও রয়েছে। ব্যক্তিগত সফরে নিউজিল্যান্ড রয়েছেন লিনু। সেখান থেকে জানিয়েছেন, ‘আমি খবরটি জানার পর প্রথমে বিশ্বাস করতে পারিনি। পরে যখন নিশ্চিত হলাম, তখন আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেছি। আমি খুব খুশি। এই সরকার এসে আমাকে এত বড় সম্মানের জন্য মনোনীত করেছে। এটা আমি ভাবিনি। বাবা থাকলে আজ সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন। তার জন্যই আমি আজ এ পর্যন্ত আসতে পেরেছি। তাই এই পুরস্কার আমি তাকে উৎসর্গ করলাম।’
জোবেরা রহমান লিনু ১৯৭৭ সালে একক, দ্বৈত আর মিশ্র দ্বৈতে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হন। ১৯৭৯ থেকে ২০০১ সাল, এর মধ্যে ১৬ বার জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় গিনেস বিশ্ব রেকর্ডে তার নাম উঠেছে। তিনিই প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে গিনেস বিশ্ব রেকর্ডে নাম উঠিয়েছেন।
ক্রীড়া ক্ষেত্রে স্বাধীনতা পুরস্কার আরও পেয়েছেন : ১৯৭৭ সালে অ্যাথলেটিকসের হাবিলদার মোস্তাক আহমেদ, ১৯৮১ সালে অ্যাথলেটিকসের আব্বাস মির্জা, ১৯৮৬ সালে সাঁতারু মোশারফ হোসেন, ১৯৮৯ সালে দাবাড়– নিয়াজ মোর্শেদ, ১৯৯১ সালে অ্যাথলেট নায়েব সুবেদার শাহ আলম, ১৯৯৩ সালে ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে কাজী আব্দুল আলীম, ১৯৯৪ সালে শুটার আতিকুর রহমান, ১৯৯৫ সালে ফুটবলার জাকারিয়া পিন্টু, ১৯৯৬ সালে ফুটবলার কাজী সালাউদ্দিন, ১৯৯৮ সালে ক্রীড়া সংগঠক (মরণোত্তর) শেখ কামাল, ১৯৯৯ সালে ইংলিশ চ্যানেল বিজয়ী সাঁতারু ব্রজেন দাস, ২০০০ সালে সুলতানা কামাল খুকী (মরণোত্তর), ২০২৪ সালে ফিরোজা খাতুন এবং ২০০১ ও ২০০৪ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ও বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি।
