ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর থেকে কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এবার কুয়েতে নিজেদের দূতাবাস থেকে কর্মকর্তা-কর্মীদের ফেরার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) থেকে দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মীদের দেশে ফেরার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশ কুয়েত যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র। দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি সেনাঘাঁটি আছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই কুয়েতের সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে ইরান। এর আগে সৌদি আরবের রিয়াদে মার্কিন দূতাবাস এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) দুবাইয়ে মার্কিন কনস্যুলেট লক্ষ্য করেও হামলা চালিয়েছিল ইরান।
এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা বিবেচনা করে নিজেদের জরুরি নয় এমন কূটনৈতিক এবং তাদের পরিবারকে কুয়েতসহ বাহরাইন, ইরাক, জর্ডান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত ত্যাগ করার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
এর আগে কুয়েতের সামরিক বাহিনী থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের সহায়তায় আকাশসীমায় ক্ষেপণাস্ত্রটিকে ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে, তবে সেটির পতিত ধ্বংসাবশেষের আঘাতে কয়েকটি গাড়ির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
কুয়েতি সামরিক বাহিনীর এই বিবৃতির কয়েক ঘণ্টা পর দূতাবাস খালি করার নির্দেশনা দেয় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।