আহমেদাবাদে কখনো টি-টোয়েন্টি জেতেনি নিউজিল্যান্ড; পরিসংখ্যান ভারতের পক্ষেই

আপডেট : ০৮ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৩ পিএম

আর কয়েকঘণ্টা পর বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় আইসিসি পুরুষ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও নিউজিল্যান্ড। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে। তবে এই মাঠে আন্তর্জাতিক  টি–টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডের রেকর্ড মোটেও ভালো নয়। এখন পর্যন্ত এখানে দুটি ম্যাচ খেলে তারা দুটিতেই হেরেছে। বিপরীতে স্বাগতিক ভারতের রেকর্ড বেশ উজ্জ্বল।

২০২৩ সালে ভারতের বিপক্ষে সিরিজে প্রথমবার এই মাঠে টি–টোয়েন্টি খেলতে নেমেছিল নিউজিল্যান্ড। সেই ম্যাচেই ইতিহাসের অন্যতম বড় পরাজয় দেখতে হয় তাদের। ম্যাচটিতে ভারতের হয়ে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি হাঁকান শুবমান গিল। তার অপরাজিত ১২৬ রানের ইনিংসে ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২৩৪ রান তোলে ভারত। জবাবে মাত্র ৬৬ রানে অল-আউট হয়ে যায় নিউজিল্যান্ড। ১৬৮ রানের সেই হার টি–টোয়েন্টিতে রানের ব্যবধানে নিউজিল্যান্ডের সবচেয়ে বড় পরাজয়।

এই মাঠে নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় ম্যাচটি হয়েছিল চলতি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ১৭৫ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। দলের হয়ে ২৬ বলে ৪৮ রান করেন মার্ক চ্যাপম্যান। তবে সেই লক্ষ্য তাড়া করে ৭ উইকেট হাতে রেখেই ম্যাচ জিতে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। তবু ফাইনাল জয়ে আত্মবিশ্বাসী কিউই অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার, ‘ট্রফি জিততে পারলে অবশ্যই ভালো লাগবে। আমরা চাপ নিয়ে ভাবছি না। দল হিসেবে নিজেদের কাজে মনোযোগ দিচ্ছি।’

অন্যদিকে এই মাঠে টি–টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভারতের রেকর্ড বেশ শক্তিশালী। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখানে এখন পর্যন্ত ১০টি টি–টোয়েন্টি খেলেছে ভারত। এর মধ্যে ৭টিতে জয় পেয়েছে এবং ৩টিতে হেরেছে। চলমান বিশ্বকাপেও এই মাঠে দুটি ম্যাচ খেলেছে ভারত। গ্রুপ পর্বে নেদারল্যান্ডসকে ১৭ রানে হারায় তারা। তবে সুপার এইট পর্বে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৭৬ রানের বড় ব্যবধানে হেরে যায়।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওই ম্যাচে ১১১ রানে অল-আউট হয় ভারত, যা এই মাঠে ভারতের সর্বনিম্ন স্কোর। এর আগে ২০২১ সালের মার্চে একই মাঠে ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও দুটি টি–টোয়েন্টিতে হেরেছিল ভারত। তবে এই মাঠে ভারত  অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব এখানে ১২ ইনিংসে ৩৬৬ রান করেছেন। উইকেটকিপার ব্যাটার সঞ্জু স্যামসন এখানে ১২ ইনিংসে করেছেন ৩১৩ রান। অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া এই মাঠে ৪৮৮ রান করার পাশাপাশি নিয়েছেন ১৭ উইকেট। পেসার জাসপ্রিত বুমরাহ নিয়েছেন ১০ উইকেট, ইকোনমি মাত্র ৫.৬৭।

সব মিলিয়ে পরিসংখ্যান বলছে, ফাইনালের আগে আহমেদাবাদের এই মাঠে অভিজ্ঞতা ও সাফল্যের দিক থেকে এগিয়ে রয়েছে ভারতই। এখন দেখার বিষয়, সেই সুবিধা কাজে লাগিয়ে তারা শিরোপা ধরে রাখতে পারে কি না।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত