আফঈদা খন্দকার। তার প্রতিভা নিয়ে প্রশ্ন নেই। সাবিনা উত্তর যুগে বাংলাদেশের নের্তৃত্ব দিচ্ছেন। তার অধিনায়কত্বে বাংলাদেশ এশিয়ান কাপের মূল পর্বে খেলছে। মাসুরা পারভীন ছিটকে যাওয়ায় দলের রক্ষণভাগটাও গড়ে উঠছে তাকে কেন্দ্র করে। খুব খারাপ যে করছেন তা নয়। তবে এশিয়ান কাপের শেষ দুই ম্যাচে একটু নড়বড়ে ছিলেন আফঈদা। বিশেষ করে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে উত্তর কোরিয়াকে দুই গোল উপহার দিয়েছিলেন নড়বড়ে ডিফেন্সে। এরপর কোরিয়া আরও তিন গোল করে বাংলাদেশকে বিধ্বস্ত করে।
রবিবার সংবাদ সম্মেলনে আফঈদা কম কথা কেন বলেন, জানতে চাইলে, বলেছেন, তিনি কথার চেয়ে কাজে বেশি বিশ্বাসী। কাল নিজের কাজটা ঠিকঠাক করতে পারবেন তো বাংলাদেশ অধিনায়ক। তার ওপর যে অনেকটাই নির্ভর করে দল। তিনি নড়বড়ে হওয়া মানেই যে উজবেকিস্তানের আক্রমণভাগে চড়াও হওয়ার সুযোগ পাবে বেশি বেশি।
বাংলাদেশ জাতীয় দলের পেসার মোস্তাফিজুর রহমান ও আফঈদা একই জেলা সাতক্ষীর মানুষ। মোস্তাফিজুর যেমন স্বল্পভাষী। আফঈদাও তাই। সংবাদ সম্মেলনে বেশিরভাগ সময় কোচ পিটার বাটলারের পাশে চুপ করে বসে থাকেন তিনি। পশ্ন করলে এক-দুই বাক্যে উত্তর দিতে পছন্দ করেণ। মোস্তাফিজের কম কথা বলাকেই অনুসরণ করেন কীনা জানতে চাইলে আফঈদা বলেন, 'আসলে ওভাবে আমি অনুসরণ করি না। মোস্তাফিজুর ভাই যে অবস্থানে আছেন, উনি উনার জায়গায় সেরা। আমি উনাকে অনুসরণ করি না। আমি ক্রিকেট খেলাও সেভাবে দেখি না। আমার কাছে মনে হয় যে কথার চেয়ে কাজ আগে করা ভালো। কথা বলতে গেলে অনেক কিছু বলা যায়, কিন্তু কাজে অনেক কিছু করা সম্ভব হয় না। তো কাজ করে দেখালে আর কী, কথা না বললেও চলে।'
অস্ট্রেলিয়া আসার পর থেকেই এখানকার মাঠ ও স্টেডিয়ামের সুযোগ সুবিধায় মুগ্ধ গোটা বাংলাদেশ দল। দেশে এরকমটা কল্পনাই করেন না তারা। আফঈদা এর আগেও এরকম স্টেডিয়াম দেখে আফসোস করেছেন। সিডনির মতো পার্থেও এমন মাঠ পেয়ে নিজের প্রত্যাশার কথাটা আরেকবার বললেন, 'আমি প্রথম দিন থেকেই বলে আসছি যে আমাদের যদি দেশের মাঠগুলো ভালো থাকে, তাহলে আমরা আরও ভালো প্র্যাকটিস করতে পারব, আমাদের সুবিধা হবে। আমাদের দেশে একটা ভালো মাঠের খুব প্রয়োজন... সেটি যদি খুব তাড়াতাড়ি করা হয় তবে দেশের ফুটবলের জন্য সেটি অনেক ভালো হবে।'
মাঠের হারের চেয়েও ইরানি ফুটবলাদের বড় আতঙ্ক এখন ‘দেশ ফেরা’