জাতীয় সংসদের হুইপ ও শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু বলেছেন, কৃষিতে বিপ্লব ঘটানো ও দেশে খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ করার লক্ষেই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন। তারই দেখানো পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্ষমতার পরপরই খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছেন। তার বাবার মতোই দেশের উন্নয়নে যুগান্তকারী ইতিহাস গড়তে যাচ্ছেন। খাল খননের ফলে দেশের খাদ্য উৎপাদন বেশি হবে এবং কৃষিতে আসবে ব্যাপক পরিবর্তন।
রবিবার (১৬ মার্চ) দুপুরে শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার নাগেরপাড়া ইউনিয়নের পখমসার এলাকায় ১৪ কিলোমিটার খাল খনন উপলক্ষে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শরীয়তপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য সফিকুর রহমান কিরন, শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলাম। এ সময় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, জেলায় প্রথমবারের মতো নাগেরপাড়া ইউনিয়নের ১৪ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে এ খাল খনন উদ্বোধন করা হয়। পর্যায়ক্রমে জেলা ব্যাপী খাল খননের আওতায় আসবে। কৃষিজমিতে সেচসুবিধা বাড়াতে খাল খননের অঙ্গীকার করেছিল বিএনপি। নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর সেই খাল খনন কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
খাল খনন শেষে খালের পারে গাছের চারা রোপণ করেন হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু।
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান আইয়ুব মিয়ার পদত্যাগ