যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের যৌথ হামলার জবাবে ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছে ইরান। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাটিগুলোতে হামলানো খবর পাওয়া যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় নতুন করে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বৃহত্তম বন্দর এবং তেল সংরক্ষণাগার, ফুজাইরাহসহ দুবাইয়ের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আরও ড্রোন হামলা হয়েছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। ইরান উপসাগরীয় পরিবহন এবং তেল অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করে হামলা অব্যাহত রাখার মধ্যে এই হামলা হলো।
সোমবার (১৬মার্চ) বিবিসি জানায়, ড্রোন-সম্পর্কিত ঘটনার’ পর বিমানবন্দরের কাছে আগুন লাগে এবং বিমান চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। এছাড়া ফুজাইরাহের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ও শিল্প অঞ্চলে ড্রোন হামলার পর আগুন লেগেছে, যা এই অঞ্চলের অন্যতম বৃহত্তম তেল সংরক্ষণাগার। এসব ছাড়াও সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবির উপকণ্ঠে একটি গাড়িতে রকেট হামলায় একজন ফিলিস্তিনি নাগরিক নিহত হয়েছেন বলে শহরের মিডিয়া অফিস জানিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আল বাহিয়া এলাকায় এই হামলাটি ঘটেছে। ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিকে ১,৯০০টিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ছুঁড়েছে তেহরান।
এদিকে, সোমবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছয়টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২১টি ড্রোনকে প্রতিহত করেছে বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। বিবিসি জানায়, সোমবারের ড্রোন হামলাটি দুবাইয়ের বিমানবন্দরের কাছে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে তৃতীয় ঘটনা, যা আন্তর্জাতিক যাত্রীদের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ততম বিমানবন্দর। কিছু ফ্লাইট বিলম্বিত হয়েছিল, অন্যগুলো সম্পূর্ণ বাতিল করা হয়েছিল, যা সংযুক্ত আরব আমিরাতের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার ভাবমূর্তির উপর আরেকটি আঘাত। ফুজাইরাহ সংযুক্ত আরব আমিরাতের পূর্ব উপকূলে, পারস্য উপসাগরের পরিবর্তে ওমান উপসাগরে অবস্থিত, তাই জাহাজগুলিকে সেখানে পৌঁছানোর জন্য হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচল করতে হয় না।
