রাজধানীর শাহবাগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর রাকিবুল ইসলাম হত্যা মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওই ঘটনার হোতা শনাক্ত করেছে পুলিশ। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। যেকোনো সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানিয়েছে তদন্তসংশ্লিষ্টরা। গতকাল বুধবার সকালে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বার্তায় এ তথ্য জানান। বার্তায় বলা হয়, গ্রেপ্তারদের বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে বুধবার দুপুর ১টায় ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনের কথা থাকলেও অনিবার্য কারণে তা স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তীতে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এর আগে, গত রবিবার রাত সোয়া ৯টার দিকে শহীদ মিনারের সিঁড়িতে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলেন তিনি। এ সময় কয়েকজন যুবক হঠাৎ এসে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পরে তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে হামলাকারীরা। ঘটনার সময় উপস্থিত লোকজন হামলাকারীদের একজনকে চাপাতিসহ আটক করে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করেন।
শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, ঘটনার দিনই জনগণ একজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। বাকি তিনজনের মধ্যে দুইজনকে খুলনা থেকে এবং একজনকে পটুয়াখালী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, প্রেমঘটিত দ্বন্দ্বের জেরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়। হামলায় সাত থেকে আটজন অংশ নেয় এবং তাদের একটি নির্দিষ্ট এলাকা থেকে ভাড়া করে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। এ ঘটনায় পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
নিহত রাকিবুল ইসলামের গ্রামের বাড়ি ভোলায়। তার বাবা তারিকুল ইসলাম খোকন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কুয়েত মৈত্রী হলের কর্মচারী। রাকিবুল রাজধানীর বোরহানুদ্দীন পোস্টগ্র্যাজুয়েট কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
