কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নার্সের অবহেলার কারণে এক প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মৃত প্রসূতির স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয় ভাংচুর করেছে।
বুধবার (১৮ মার্চ) বেলা ১১টায় এ ঘটনার পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মৃত্যুর ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে দেন দরবার চলছে বলে স্থানীয় সূত্র জানায়।
মৃত ঝুমা আক্তার (২২) উপজেলার দক্ষিণ পেন্নাই গ্রামের সফিউল্লার স্ত্রী।
সফিউল্লার বড় ভাই নবী উল্লাহ জানান, ১৮ মার্চ বুধবার সকালে দাউদকান্দি প্রসব বেদনা উঠলে আমার ছোট ভাই তার স্ত্রীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে নার্সরা তাকে একটি ইনজেকশন দিলে গুরুতর অসুস্থ এবং অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে জরুরী বিভাগ থেকে ডাক্তার এসে বলে এখানে রেখে লাভ নেই, আপনারা রোগীকে ঢাকায় নিয়ে যান।
পরে এ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় নেয়ার পথে নড়াচড়া না করায় সাইনবোর্ড এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা বলেন, একঘণ্টা আগেই মারা গেছে। মৃত্যুর খবর শুনে উত্তেজিত হয়ে আমাদের আত্মীয় স্বজনরা হাসপাতালের একটি রুমের জানালার কাঁচ ভেঙে ফেলেছে। ডাক্তার ছাড়া নার্সের অবহেলায় আমার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী তার অনাগত সন্তানসহ মারা গেছে। আমরা এর বিচার চাই।
এ বিষয়ে গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমরা হাসপাতাল ভাংচুরের খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। মৃতের স্বজনরা লিখিত অভিযোগ দিলে আইনি প্রক্রিয়ায় যাবো।
দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান বলেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। নার্সদের অবহেলা বা দোষী হলে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর ভাংচুরের বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেছি।
ব্যবসায়ীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার