ইউক্রেনে রাশিয়ার এক বিরল দিনের বেলার ড্রোন হামলায় তিনজন নিহত ও কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন। এ হামলায় পশ্চিমাঞ্চলীয় ঐতিহাসিক শহর লভিভের কেন্দ্রে একটি ভবনে আগুন ধরে যায়। আগের রাতে আরেকটি হামলায় পাঁচজন প্রাণ হারিয়েছিলেন বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
ইউক্রেনের বিমানবাহিনী জানিয়েছে, মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দিনের বেলায় ৫৫০টিরও বেশি ড্রোন ছোড়া হয়েছে , রাশিয়ার স্বাভাবিক রণকৌশল থেকে যা সম্পূর্ণ আলাদা। সাধারণত রাশিয়া রাতের আঁধারে এ ধরনের বড় আকারের হামলা চালায়। এর আগের রাতেও শত শত ড্রোন ও কয়েক ডজন ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছিল। কিয়েভের হিসাব অনুযায়ী, সোমবার সন্ধ্যা থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত মোট প্রায় এক হাজার দূরপাল্লার ড্রোন ইউক্রেনে আঘাত হেনেছে।
এ বিষয়ে রাশিয়ার পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি তার রাতের ভিডিও বার্তায় বলেছেন, এই হামলার মাত্রা স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে রাশিয়া যুদ্ধ বন্ধ করার কোনো সত্যিকারের ইচ্ছা রাখে না। তিনি বলেন, 'রাশিয়া একইসঙ্গে ইরানি শাসকগোষ্ঠীকে এ অঞ্চলে হামলা চালাতে সহায়তা করছে , এটা মাথায় রাখলে পরিষ্কার বোঝা যায় পরিস্থিতি কোথায় যাচ্ছে। রাশিয়ার উপর কঠোর ও কার্যকর চাপ না বাড়ালে, মস্কোকে বাস্তব মূল্য না দিতে হলে, তারা যুদ্ধ ছেড়ে শান্তির পথে আসবে না।"
অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, পোল্যান্ড সীমান্ত থেকে মাত্র ৬০ কিলোমিটার দূরের শহর লভিভের ঐতিহাসিক কেন্দ্রে একটি গির্জার পাশের পুরোনো ভবনে সরাসরি আঘাত হানে একটি ড্রোন। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পোল্যান্ড তাৎক্ষণিকভাবে যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে বলে ওয়ারশ জানিয়েছে। শহরটিতে কমপক্ষে ২২ জন আহত হয়েছেন।
