গাইবান্ধায় থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) কয়েকজন পুলিশকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে যুব জামায়াত নেতা মাহমুদুল হাসান পলাশের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তৌহিদুল ইসলাম কানন নামে একজনকে আটক ও আট পুলিশ সদস্য আহত হওয়ার দাবি করেছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এছাড়া এঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বুধবার (২৫ মার্চ) রাতে পলাশবাড়ী থানায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত মাহমুদুল হাসান পলাশবাড়ী যুব জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক।
মারধরের বিষয়ে গাইবান্ধা সহকারী পুলিশ সুপার (সি সার্কেল) এবিএম রশিদুল বারী জানান, পলাশবাড়ী যুব জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক মাহমুদুল হাসান পলাশের নেতৃত্বে কয়েকজন যুবক বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে পলাশবাড়ী থানায় আসেন। পরে তারা থানার ওসি সারোয়ারে আলমকে পলাশবাড়ী পৌরসভার কালিবাজারে বিবাদমান একটি দোকানে তালা লাগানো কথা জানান। এসময় ওসি দোকানে তালা দিতে রাজী না হলে পলাশ ও তার লোকজন পুলিশের ওপর চড়াও হন। এনিয়ে উভয়পক্ষের কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তারা ওসি গায়ে হাত তোলে। পরে ওসিকে বাঁচাতে অন্য পুলিশরা আসলে তাদেরকেও মারধরের দাবি করেন পুলিশ কর্মকর্তা রশিদুল বারী।
তিনি বলেন, আহত পুলিশ সদস্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
পলাশবাড়ী থানায় কর্মরত আহত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রুহুল আমিন বলেন, পুলিশের ওপর হামলা করে বেরিয়ে যাওয়ার সময় তাদের আটকাতে গেলে হামলার শিকার হই আমি। এসময় তারা অন্য পুলিশ সদস্যকে মারধর করে বলে দাবি করেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে পলাশবাড়ী যুব জামায়াত নেতা মাহমুদুল হাসান পলাশের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
অভিযোগের বিষয়ে পলাশবাড়ী উপজেলা জামায়াতের আমির আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, খবর পেয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য মাওলানা নজরুল ইসলাম লেবু ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা থানায় গিয়ে খোঁজ খবর নেন। এবং থানার সিসিটিভির ক্যামেরার ফুটেজ দেখে দলে কোনো সদস্য শনাক্ত হলেন তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে আশ্বাস দেন তারা
তবে গণমাধ্যমকর্মীরা এ ঘটনার সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণকৃত ভিডিও দেখতে চাইলে-পুলিশ জানায়, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার অনুমতি সাপেক্ষে ভিডিও দেখানো যাবে বলে জানানো হয়।
