উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকায় আসছিল একটি যাত্রীবাহী বাস। বাসের বেশিরভাগ যাত্রীই ঈদের ছুটি শেষে ফিরছিলেন কর্মস্থলে। কিন্তু টাঙ্গাইলের কালিহাতীর ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের ধলাটেংগ এলাকায় এসেই তেলের অভাবে থেমে যায় বাসটি। এ ফাঁকে কয়েকজন যাত্রী বাস থেকে নেমে পাশের রেললাইনে বসেন। আর সেই বসাই কাল হলো পাঁচজনের জীবনে। গতকাল রাত ৮টার দিকে ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত হয়েছেন তারা।
নিহতদের মধ্যে দুজন নারী, এক শিশু ও দুজন পুরুষ রয়েছেন। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। তবে প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করছে, তাদের বাড়ি গাইবান্ধায় আর তারা একই পরিবারের সদস্য।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধলাটেংগর এলাকায় পৌঁছানোর পর ঢাকাগামী বাসটির তেল শেষ হয়ে যায়। এ সময় বাস থেকে নেমে কয়েকজন যাত্রী মহাসড়কের পাশেই রেললাইনে বসেছিলেন। রাত ৮টার দিকে সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী ‘সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি ওই এলাকা অতিক্রম করার সময় লাইনে বসে থাকা যাত্রীরা কাটা পড়েন। এতে ঘটনাস্থলেই এক শিশু, দুই নারী ও দুই পুরুষ নিহত হন। টাঙ্গাইল রেলওয়ে স্টেশন ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহতদের সবাই একই পরিবারের সদস্য হতে পারেন। তাদের সবার বাড়ি গাইবান্ধা।
টাঙ্গাইলের ঘারিন্দা রেলস্টেশনের ইনচার্জ রেজাউল করিম জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা সিরাজগঞ্জগামী সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনটি গোহালিয়াবাড়ী-সল্লা এলাকায় এলে এতে কাটা পড়ে পাঁচজন মারা যান। তারা রেললাইনের ওপর বসেছিলেন। রেলওয়ে পুলিশসহ সংশ্লিষ্টরা ঘটনাস্থলে কাজ করছেন।