তেল নিয়ে অস্থিরতার মধ্যেই দিনাজপুরের হাকিমপুরের হিলিতে হঠাৎ করেই বাজার থেকে উধাও হয়ে গেছে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার। পুরোপুরি অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে দাম সিলিন্ডার প্রতি প্রকারভেদে ৪শ থেকে সাড়ে ৪শ টাকা করে বেড়েছে। হঠাৎ করে গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন গ্রাহকগন। ব্যবসায়ীদের কারসাজির কারনেই গ্যাসের দাম বাড়ছে জানিয়ে প্রশাসনের নজরদাড়ির দাবি তাদের।
হিলির বেশীরভাগ গ্যাসের দোকানেই মিলছেনা এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার দুএকটি দোকানে মিললেও দাম আগের তুলনায় অনেকটা বাড়তি। দুদিন আগেও যেখানে প্রতি সাড়ে ১২ কেজি এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার প্রকারভেদে ১ হাজার ৫২০ থেকে ৫৫০ দরে টাকা বিক্রি হয়েছিল সেই গ্যাস বর্তমানে দাম বেড়ে ১ হাজার ৯শ থেকে সাড়ে ৯শ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সরবরাহ নেই সেই সঙ্গে বাড়তি দামে কিনতে হওয়ায় বেশী দামে বিক্রি করতে হচ্ছে দাবি বিক্রেতাদের।
সিএনজি চালক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমাদের নিয়মিত গ্যাস লাগে কয়েকদিন ধরেই গ্যাস সিলিন্ডার কিনছিলাম ১ হাজার ৫২০ টাকা করে। কিন্তু পরশুদিন গ্যাস কিনতে গিয়ে শুনি দাম বেশী ১শ টাকা বাড়তি দিয়ে সেদিন গ্যাস কিনেছি। গতকাল রাতে আবারো গ্যাস কিনতে গেছি দাম চাই ২ হাজার টাকা। অনেক রিকুয়েস্ট করে ৫০টাকা কম নিছে ১হাজার ৯৫০টাকা নিচ্ছে। এর পর বেশীরভাগ দোকানেই গ্যাস পাওয়া যাচ্ছেনা কেমনজানি বাজার থেকে গ্যাস উধাও হয়ে গেছে। এভাবে হঠাৎ করে যদি গ্যাসের দাম সিলিন্ডার প্রতি ৪শ টাকা করে বেড়ে যায় তাহলে আমরা চলবো কিভাবে। আমরা তো যাত্রীদের নিকট থেকে ভাড়া বেশী চাইতে পারছিনা। এখন যদি গ্যাসের দাম বেড়েই যায় তাহলে তো আমাদেরকেও ভাড়া বাড়াতে হবে এছাড়া তো উপায় নেই।
গ্যাস কিনতে আসা আফজাল হোসেন বলে, কয়েকদিন আগে গ্যাস কিনলাম ১ হাজার ৫৫০ টাকা দরে। কিন্তু আজ গ্যাস কিনতে গিয়ে দাম চাইছে ১ হাজার ৯৫০ টাকা করে। দুদিনের ব্যবধানে গ্যাসের দাম ৪শ টাকা করে বেড়ে গেছে। এভাবে রাতারাতি যে গ্যাসের দাম বাড়লো এতে করে আমাদের মত মানুষদের তো বেশ বিপাকের মধ্যে পড়তে হচ্ছে। আমাদের তো আয় ইনকাম সীমিত হিসেব করে চলতে হয়। এভাবে গ্যাসের দাম বাড়ায় আমাদের সংসার চালাতে এখন হিমশিম অবস্থা। আর এটা কোন কথা এমন কি হয়ে গেলো যে গ্যাসের দাম বেড়ে গেলো সরকার তো দাম বাড়াইনি। এটা সম্পূর্ন ব্যবসায়ীদের কারসাজি তারা সিন্ডিকেট করে এভাবে গ্রাহকদের কাছ থেকে বাড়তি দাম আদায় করছে। এটি প্রশাসনের নজরদাড়ি করা দরকার কেন তাড়া দাম বাড়াচ্ছে।
হিলি বাজারের গ্যাস বিক্রেতা জাহিদ ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী জাহিদ বলেন, আমাদের এখন ওমেরা গ্যাস কিনতেই হচ্ছে ১ হাজার ৮৫০ টাকা দরে। এর সাথে খরচ মিলিয়ে আমরা বিক্রি করছি ১ হাজার ৯শ টাকা। আর বসুন্ধরা গ্যাস কিনতেই চাইছে ১হাজার ৯শ টাকা যার কারনে খরচ মিলিয়ে আমরা ৫০ টাকা বাড়তি দামে বিক্রি করছি। মূলত ডিলার পয়েন্ট থেকে দাম বাড়তি নিচ্ছে যার কারনে আমাদেরকেও বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমা বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমি খবর নিচ্ছি যদি এই ধরনের কোন অভিযোগ কোন ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে পাওয়া যায় তাকে জরিমানাসহ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হিলিতে হামের সন্দেহে রোগী শনাক্ত, নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় প্রেরণ
ময়মনসিংহ মেডিকেলে হামের লক্ষণ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি ২৬ শিশু