ছড়া

আপডেট : ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০৬ এএম

স্বাধীন বাংলাদেশ

রাহেলা আক্তার

 

শিমুল, পলাশ, কৃষ্ণচূড়া

ফুটেই, করে নৃত্য-

সবুজ বৃন্তের লাল পরাগে

জাগে স্বাধীন চিত্ত।

 

দোয়েল, কোয়েল, ময়না, টিয়া

দিলো এসে খবর

বিজয় নিশান উড়ছে, দেখো

পাকের হলো কবর।

প্রজাপতি ডানা মেলে

হেসে বলে, আমি

যেথা খুশি, সেথা উড়ব

স্বাধীন জন্মভূমি!

 

ফুল, পাখি আর প্রজাপতি

মুক্ত মনে খেলে,

স্বাধীন দেশের আকাশজুড়ে

স্বপ্ন পাখা মেলে।

 

যাদের ত্যাগে পেলাম মোরা

এই স্বাধীন বাংলাদেশ,

তাদের তরে মাথা নত

শ্রদ্ধা অনাবিল রেশ।

খোকা

ফেরদৌস জামান খোকন

 

শোনরে খোকা নয়তো বোকা

খেলবি যখন বল,

ভীষণ গরম বাইরে আজই

ঝরবে গায়ে জল।

 

ঘরের মাঝে খেলার সাথী

ডেকে  নিয়ে আয়,

মায়ের কথা শুনে খোকা

বাঁকা চোখে চায়।

 

মাঠে আমি খেলতে যাব

হোক না যতই রোদ,

আগের খেলায় হেরে আছি

আজকে নেব শোধ।

 

বলে মায়ে খেলবি তবে

গরম যখন কম,

তপ্ত রোদে ক্লান্ত হয়ে

পাবি নারে দম।

 

খোকা হেসে বলে মাগো

সময় বয়ে  যায়,

খেলার সাথী ডাকছে আমায়

চলছি আমি তাই।

ভূতের কারবার

আবদুল লতিফ

 

ভূত থাকে চালে

গাছে মগডালে।

পাতায় পাতায় ঘুরে,

হাওয়ায় হাওয়ায় উড়ে।

 

রাত্রি আঁধার হলে

ভীষণ আড্ডা চলে।

ছুটে সবে মিলে

নদী খাল বিলে।

 

ছোট বড়ো মাছ ধরে,

সবাই আহার করে।

হাড় কাঁটা একসাথে গিলে,

দেখে চমকায় শুধু পিলে।

 

মানুষের দেখা পেলে

ভয়ে ছুটে সব ফেলে।

একা পেলে মটকায় ঘাড়

এই যে ভূতের কারবার!

প্রজাপতির পিছু

(আত্মজা জাকিয়া রুশদাকে)

সাইফুল্লাহ ইবনে ইব্রাহিম

 

আম্মু আমার ছুটে চলে

প্রজাপতির পিছু

হাতের মুঠোয় ধরতে তাকে

দৌড়ে উঁচু-নিচু।

 

এসব দেখে খুশি লাগে

ভয়ও করে বেশ

হোঁচট খেয়ে পড়লে হবে

আনন্দটা শেষ!

 

পেতেও পারে ভীষণ ব্যথা

তখন কী যে হবে!

দৌড়ে গিয়ে তাকে বলি

এবার থামো তবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত