শরীয়তপুর সদর হাসপাতালসহ জেলার ৬টি হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টায় ১৫ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে। জেলায় এ পর্যন্ত ১১১ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি জাজিরা উপজেলায়। এই উপজেলায় ৪৪ জন শিশু আক্রান্ত হয়েছে। ইতোমধ্যে জেলায় ২ জন শিশুর মৃত্যুও হয়েছে। বর্তমানে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি ১৬ জন।
গত (৫ এপ্রিল) থেকে জাজিরা উপজেলায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সের শিশুদেরকে হামের বিশেষ টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। উপজেলাটিতে ৩ সপ্তাহে ৩০ হাজার শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হবে।
এক রোগীর বাবা নোমান সিদ্দিক বলেন, আমার মেয়ের হঠাৎ জ্বর হয় ও শরীরে ছোট ছোট লাল গোটা উঠে। পরে সদর হাসপাতালে আনলে ডাক্তার দেখে বলেছে হামের উপদ্রব। তাই চারদিন যাবত মেয়েকে নিয়ে সদর হাসপাতালে আছি। ডাক্তার ঠিকমত পাই না। সব ঔষধ বাহির থেকে কিনতে হচ্ছে। এটা নামেই হাসপাতাল, কাজে নেই।
রোকসানা আক্তার বলেন, আমার মেয়ের জ্বর আসলে বাড়িতে দুইদিন রাখি। পরে দেখি মুখে গোটা উঠেছে। জ্বর না কমায় সদর হাসপাতালে আনলে ডাক্তাররা ভর্তি দেয়। তিনদিন যাবত হাসপাতালে আছি। এখন জ্বর ও মুখের গোটা কমতে শুরু করেছে।
শরীয়তপুরের সিভিল সার্জন ডা. রেহান উদ্দিন বলেন, সারাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পেয়েছে। তার সঙ্গে সঙ্গে শরীয়তপুরেও হামের প্রকোপ বেড়েছে। জেলার হাসপাতালগুলোতে রোগীদের চিকিৎসা ও পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। মৃত্যুর হার ও মৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে জাজিরা উপজেলায় হামের টিকা দেয়া হচ্ছে। আগামী তিন সপ্তাহে জাজিরায় অন্তত ৩০ হাজার শিশুকে এই টিকার আওতায় আনা হবে। পর্যায়ক্রমে জেলায় এই টিকার আওতায় আনা হবে।
সব উপজেলায় একটি করে মহিলা কলেজ সরকারিকরণের চিন্তা চলছে