রাজধানীতে গৃহবধূসহ ৩ জনের অস্বাভাবিক মৃত্যু

আপডেট : ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৩৯ পিএম

রাজধানীতে পৃথক স্থান থেকে গৃহবধূসহ ৩ জনের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। এরা হলেন হাজারীবাগ এলাকার লামিয়া আক্তার (১৯), লালবাগের আইয়ুব আলী (৩৭) ও কামরাঙ্গীচরের বিলকিস (২৬)।

গতকাল বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে হাজারীবগ সোনাগড় এলাকার একটি বাসায় গলায় ফাঁসি দেন গৃহবধূ লামিয়া আক্তার (১৯)। পরিবারের লোকজন দেখতে পেয়ে তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে এলে চিকিৎসক বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে বুধবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে লালবাগ আতশ খান রোডের বাসা থেকে থেকে আইয়ুব আলীকে (২৬) হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আর বৃহস্পতিবার বিকেলে কামরাঙ্গীরচর থেকে মৃত অবস্থায় নিয়ে আসা হয় বিলকিসকে।

মৃত লামিয়ার স্বামী মো. আজমান জানান, স্ত্রী লামিয়ার সঙ্গে হাজারীবাগ সোনাগড় এলাকার ৫ম তলা বাসার ৩য় তলার ভাড়া থাকতেন তারা। লামিয়া একটি পার্লারে কাজ করতেন। তাদের মধ্যে মাঝে মাঝে পারিবরিক বিষয় নিয়ে ঝগড়া হতো। বুধবার রাতেও নানা বিষয় নিয়ে ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে লামিয়া ঘরের দরজা বন্ধ করে দেন। অনেক ডাকাডাকি করে সাড়া পাওয়া না গেলে দরজা ভেঙে দেখা যায় তিনি ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়ানা পেচিয়ে  ঝুলে আছেন।

তিনি জানান, লামিয়ার বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা থানার নয়াপাড়া গ্রামে। বাবার নাম এমদাদুল হক।

এদিকে, লালবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবু তাহের মোল্লা জানান, মৃত আইয়ু্ব আলীর বাড়ি বগুড়ার শাহজাহানপুর থানার সুজাবাদ গ্রামে। বাবার নাম আব্দুস সোবহান। লালবাগ আতশ খানা লেনের রোকেয়া ভিলার ২য় তলায় ৩ জন মিলে মেস করে থাকতেন। আইয়ুব আলী ইডেন মহিলা কলেজের অফিস সহকারী ছিলেন।

তিনি আরও জানান, বুধবার রাত ৮টার দিকে দুজন রুমমেট বাসায় এসে দরজা ভেতর থেকে বন্ধ পান। অনেক ডাকাডাকির পরও কসাড়াশব্দ না পেয়ে ফায়ার সার্ভিসে ফোন দেন তারা। ফায়ার সার্ভিস দরজা ভেঙে ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা পেচানো ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তাকে। পরে থানা পুলিশ ঝুলন্ত থেকে নামিয়ে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেল চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

অপরদিকে, বৃহস্পতিবার বিকেলে কামরাঙ্গীরচর থেকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় বিলকিসকে। তার বাবার নাম মো. বারেক।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত