প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা জয়ের পথে বড় এক হোঁচট খেল আর্সেনাল। নিজেদের মাঠে বোর্নমাউথের কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে শীর্ষস্থান ধরে রাখা এখন কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে এমিরেটস স্টেডিয়ামের দলটির জন্য। মৌসুমের এই পর্যায়ে এসে এমন হার গানার্স সমর্থকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে স্পোর্টিংয়ের বিপক্ষে নাটকীয় জয়ের পর সমর্থকরা আশা করেছিলেন ঘরের মাঠে আর্সেনাল দাপুটে পারফরম্যান্স দেখাবে। কিন্তু মাঠের চিত্র ছিল উল্টো। চোটের কারণে দলের অন্যতম প্রধান তারকা বুকায়ো সাকা, অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড এবং জুরিয়েন টিম্বারকে ছাড়াই মাঠে নামতে হয় মিকেল আরর্তেতার দলকে। রক্ষণে রিকার্ডো কালাফিওরি না থাকায় মাত্র দ্বিতীয়বারের মতো লিগ স্টার্ট পান তরুণ মাইলস লুইস-স্কেলি।
মূল খেলোয়াড়দের অনুপস্থিতিতে আর্সেনালের আক্রমণে সেই চিরচেনা ধার দেখা যায়নি। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে কোচ আরর্তেতা তিনটি পরিবর্তন এনে ছন্দ ফেরানোর চেষ্টা করলেও তা যথেষ্ট ছিল না। উল্টো সাহসী ফুটবল খেলে পূর্ণ পয়েন্ট ছিনিয়ে নেয় বোর্নমাউথ। টানা তিন মৌসুম রানার্সআপ হওয়ার ক্ষত এখনো সমর্থকদের মনে টাটকা। তাই মাঠের প্রতিটি ভুল পাস বা সুযোগ নষ্টের পর গ্যালারি থেকে ভেসে আসছিল দুয়োধ্বনি। শিরোপা জয়ের এত কাছে গিয়েও বারবার স্বপ্নভঙ্গের যে আতঙ্ক, তা যেন আবারও ফিরে আসছে এমিরেটসে।
আর্সেনালের জন্য সামনের পথটা আরও কঠিন। আগামী বুধবার স্পোর্টিংয়ের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের দ্বিতীয় লেগ খেলে তারা পাড়ি জমাবে ইতিহাদ স্টেডিয়ামে, যেখানে অপেক্ষা করছে ম্যানচেস্টার সিটি। এরপরই ঘরের মাঠে খেলতে হবে নিউক্যাসলের বিপক্ষে।
অন্যদিকে, ম্যানচেস্টার সিটির সামনে সুযোগ রয়েছে দ্রুতই পয়েন্ট ব্যবধান কমিয়ে আনার। চেলসি, আর্সেনাল ও বার্নলির বিপক্ষে সিটির আসন্ন ম্যাচগুলো গানার্সদের লিডকে পুরোপুরি ধুলোয় মিশিয়ে দিতে পারে। ২৫ এপ্রিল নিউক্যাসলের মুখোমুখি হওয়ার আগে আর্সেনাল যদি শীর্ষস্থান হারায়, তবে মানসিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানো তাদের জন্য পাহাড়সম কঠিন হয়ে পড়বে।
আর্সেনাল ভক্তদের এখন একটাই প্রার্থনা—বোর্নমাউথের বিপক্ষে এই ম্যাচটি যেন মৌসুম শেষে শিরোপা হারানোর আক্ষেপ হয়ে না দাঁড়ায়।
ডোপিংয়ের দায়ে দুই বছর নিষিদ্ধ মাবিয়া আক্তার
ইয়ামালের শততম ম্যাচে বার্সেলোনার বিশাল জয়