রাজধানীর আজিমপুরে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন প্রখ্যাত আইনজীবী, সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ। তিনি গত রবিবার বিকেলে ৮৯ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন। গতকাল সোমবার বেলা ১১টার দিকে ইন্দিরা রোডে বাসার কাছে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর দুপুর দেড়টায় শফিক আহমেদের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় তার প্রিয় প্রাঙ্গণ সুপ্রিম কোর্টে। সেখানে ইনার গার্ডেনে দুপুর দেড়টার দিকে দ্বিতীয় জানাজা ও তার মরদেহে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। জানাজায় আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেড আই খান পান্না, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিসহ আইনজীবীরা অংশ নেন।
সুপ্রিম কোর্টে জানাজা শেষে শফিক আহমেদের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সেখানে সর্বস্তরের শ্রদ্ধা জানানো শেষে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় আজিমপুর কবরস্থানে। বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে তার দাফন সম্পন্ন হয়।
১৯৩৭ সালের ১৬ অক্টোবর কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার নারায়ণপুর গ্রামে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন শফিক আহমেদ। ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের আইন বিভাগে স্নাতক সম্পন্ন করেন। ১৯৬৭ সালে বার অ্যাট ল ডিগ্রি নিয়ে আইন পেশায় নিয়োজিত হন তিনি। সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।