কার্ল মার্কস ও ফ্রেডরিক এঙ্গেলসের চিন্তাধারা এবং তাদের লেখা বই বিশ্বরাজনীতির মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। শাসকশ্রেণি ও পুঁজিবাদী ব্যবস্থার মূল ভিত নাড়িয়ে দেওয়া সমাজ ও রাজনৈতিক তত্ত্বকে বহু সরকার নিজেদের ক্ষমতার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি বলে মনে করত। ফলে তাদের বইগুলো নিষিদ্ধ হওয়া, বাজেয়াপ্ত হওয়া কিংবা পুড়িয়ে ফেলা ইউরোপীয় ইতিহাসেরই এক অন্ধকার অধ্যায়।
দ্য ম্যানিফেস্টো অব দ্য কমিউনিস্ট পার্টি বিশ্ব ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ডিসকোর্স। মানবসভ্যতার ইতিহাস, সামাজিক বৈষম্য এবং শ্রমজীবী মানুষের অধিকার অর্জনের সুস্পষ্ট রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে এই ইশতেহারে। সহজ ভাষায় বললে, এটি শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের মুক্তিসনদ।
এই ইশতেহারের শুরুতেই মার্কস ও এঙ্গেলস একটি যুগান্তকারী মন্তব্য করেছেন : ‘আজ পর্যন্ত যত সমাজ আমরা পেয়েছি, তাদের সবার ইতিহাস হলো শ্রেণীসংগ্রামের ইতিহাস।’ তাদের মতে, যুগে যুগে সমাজে দুটি প্রধান শ্রেণী মুখোমুখি দাঁড়িয়ে রয়েছে—শোষক (যাদের হাতে সম্পদ ও ক্ষমতা থাকে) এবং শোষিত (যাদের কিছুই থাকে না)। প্রাচীন যুগের সামাজিক বিন্যাসটা ছিল মালিক ও দাসের। মধ্যযুগে তা এসে দাঁড়ায় সামন্তপ্রভু ও কৃষকের সম্পর্কে। আধুনিক যুগের সম্পর্ক ও শ্রেণীবিন্যাসটা হলো বুর্জোয়া (পুঁজিবাদী মালিক) ও প্রলেতারিয়েতদের (শ্রমিক শ্রেণী)। মার্কস ও এঙ্গেলস মনে করতেন, পৃথিবী কোনো ধর্মীয় অলৌকিক শক্তি বা চিন্তার দ্বারা চালিত হয় না; বরং মানুষের জীবনের বস্তুগত অবস্থা (খাদ্য, বস্ত্র, আশ্রয় ও উৎপাদন ব্যবস্থা) দিয়েই সমাজ ও চিন্তা নির্ধারিত হয়।
ম্যানিফেস্টোতে বলা হয়েছে, পুঁজিবাদী সমাজব্যবস্থা শিল্পবিপ্লবের মাধ্যমে উৎপাদন ও প্রযুক্তির ব্যাপক উন্নয়ন ঘটিয়েছে ঠিকই, কিন্তু একই সঙ্গে তা মানুষকে যন্ত্রে পরিণত করেছে। পুঁজিবাদের মূল লক্ষ্য সর্বোচ্চ মুনাফা। এই মুনাফার লোভে মালিকপক্ষ শ্রমিকদের দিয়ে অতিরিক্ত পরিশ্রম করায়, বিনিময়ে দেয় নামমাত্র মজুরি। ফলে ধনী দিন দিন আরও ধনী হয় আর গরিব হয় আরও নিঃস্ব। মার্কস ও এঙ্গেলসের মতে, শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ শক্তিই একদিন বিপ্লব ঘটাবে এবং পুঁজিবাদকে উচ্ছেদ করে বৈষম্যহীন সমাজ গড়ে তুলবে।
কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো সমকালীন রাজনৈতিক চিন্তাধারায় এক বিশাল আলোড়ন সৃষ্টি করে। পরবর্তীকালে বিশ শতকে রাশিয়া, চীন, কিউবাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব হয়েছিল তার মূল অনুপ্রেরণা ছিল এই বইটি। ইশতেহারের শেষ লাইনটি ইতিহাসের অন্যতম বিখ্যাত ও শক্তিশালী রাজনৈতিক স্লোগানে পরিণত হয় : ‘দুনিয়ার মজদুর, এক হও! তোমাদের হারানোর কিছু নেই, পাওয়ার আছে সমগ্র বিশ্ব!’
কার্ল মার্কস ও ফ্রেডরিক এঙ্গেলসের কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো হলো নতুন সমাজ গড়ার স্বপ্নদর্শন; সশস্ত্র বিপ্লব ও বিপ্লবী কর্মকাণ্ডের আহ্বান।
নিষিদ্ধের ইতিহাস
উনিশ শতকের প্রুশিয়া এবং জার্মান সাম্রাজ্যে বইটি নিষিদ্ধ ছিল এবং পরে একবার নাৎসিরা এটি পুড়িয়ে ফেলে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কিছু অংশেও বইটি নিষিদ্ধ করা হয়েছিল, বিশেষ করে ১৯৫০-এর দশকে আর তুরস্কে এই বইয়ের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা ২০১৩ সালের আগে উঠিয়ে নেওয়া হয়নি।
আসলে কার্ল মার্কসের লেখালেখির ওপর সেন্সরশিপ বা নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছিল কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো প্রকাশের আগেই, যখন লেখাটি রাজনৈতিক ও সামাজিক সাময়িকী ‘রাইনিশে সাইতুং’ পত্রিকায় প্রকাশিত হচ্ছিল।
১৮৪৩ সালে পত্রিকাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর মার্কস প্যারিস ও ব্রাসেলসে নির্বাসিত হন। চরমপন্থী পত্রিকা ‘ফোরভার্টসে’ লেখা প্রকাশের অপরাধে ১৮৪৫ সালে তাকে ফ্রান্স থেকেও বহিষ্কার করা হয়। ১৮৪৯ সালে মার্কস সম্পাদিত ‘রাইনিশে সাইতুং’ কর না দিতে এবং সম্রাট ফ্রেডরিক উইলিয়ামের বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধের আহ্বান জানায়। পত্রিকাটি নিষিদ্ধ এবং মার্কসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের বিচার করা হয়। জুরি সদস্যরা খালাস দিলেও তাকে জার্মানি থেকে বের করে দেওয়া হয়।
জার্মানিতে ম্যানিফেস্টো নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয় ১৮৭৮ সালে। চ্যান্সেলর অটো ভন বিসমার্ক সমাজতান্ত্রিক এবং তাদের প্রেসের বিরুদ্ধে একটি আইন করেন। তিনি রাইখস্টাগ (পার্লামেন্ট) ভেঙে দেন। জনশৃঙ্খলা এবং সামাজিক সম্প্রীতির কথা বলে সমাজতান্ত্রিক বা কমিউনিস্ট কর্মকাণ্ডের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টোসহ সংবাদপত্র বা বই প্রকাশ নিষিদ্ধ করেন।
উনিশ শতকে কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো প্রথম প্রকাশের পর থেকে ক্যাথলিক চার্চও সমাজতন্ত্রবিরোধী অবস্থান নেয়। পোপ বলেন, ‘কমিউনিজম মূলত ঈশ্বরহীন ও ধর্মহীন।’ বলশেভিক বিপ্লবের পর রুশ ক্যাথলিকদের নির্যাতন করা হলে চার্চের শত্রুতা আরও বেড়ে যায়। ম্যানিফেস্টোকে চার্চ নিষিদ্ধ করে। ১৯৩০-এর দশকের শেষ দিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ক্যাথলিকরা সেনেটর জোসেফ ম্যাককার্থির সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকার এবং সমাজে চরমপন্থিদের খুঁজে বের করার অভিযানে নামে।
গত শতকের পঞ্চাশের দশকের শুরুতে মার্কিন সরকারি লাইব্রেরিগুলো থেকে মার্কস, লেনিন, স্তালিনের বই অবাধে ধার নেওয়া যেত। শুধু কিছু রোমান ক্যাথলিক বিশ্ববিদ্যালয় এই বইগুলো সংরক্ষিত বা সীমিত রেখেছিল। শিক্ষার্থীরা কেবল অ্যাসাইনমেন্ট বা থিসিসের কাজে সমাজতান্ত্রিক তত্ত্ব পড়ার জন্য অধ্যাপকদের অধীনে রেফারেন্স হিসেবে এগুলো পড়তে পারত।
১৯৫০ থেকে ১৯৫৩ সালের দিকে যুক্তরাষ্ট্রে মার্কসের রচনাবলি এবং অন্যান্য কমিউনিস্ট সাহিত্য ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে। সিনেটর জোসেফ ম্যাককার্থি এবং ‘হাউস কমিটি অন আন-আমেরিকান অ্যাক্টিভিটিজ’ ম্যানিফেস্টোর বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। ১৯৫০ সালে ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের একটি তদন্ত কমিটি পাবলিক লাইব্রেরিতে মার্কসের বই সীমিত করার প্রস্তাব দেয় এই যুক্তিতে যে : ‘এগুলো তরুণ মনে সমাজতন্ত্রের প্রতি অনুরাগ তৈরি করে।’ আবার ১৯৫৩ সালে ফ্লোরিডার ব্রুকসভিল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পল বি.পার্কার নামের একজন লাইব্রেরি বোর্ড সদস্য ওই লাইব্রেরি থেকে কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো, রাশিয়ায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত জোসেফ ই. ডেভিসের লেখা মিশন টু মস্কো এবং নিউ রিপাবলিক এবং কিছু সাময়িকীসহ বেশকিছু বই ও পত্রিকা সরিয়ে ফেললেন। পরে লাইব্রেরি কমিটির চাপে কিছু বই তিনি ফেরত দিলেও কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো আর ফেরত দেননি।
১৯৫২ সালের ২৩ সেপ্টেম্বরের বোস্টন পাবলিক লাইব্রেরি আক্রমণের মুখে পড়ে যখন জন ফক্সের মালিকানাধীন ‘বোস্টন পোস্ট’ পত্রিকায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয় যে, লাইব্রেরিটি সোভিয়েতপন্থি পত্রিকা এবং রাশিয়ার ‘প্রাভদা’ ও ‘ইজভেস্তিয়া’ সংবাদপত্র গ্রাহক হিসেবে রাখছে। এমনকি লাইব্রেরির লবিতে ম্যানিফেস্টো প্রদর্শন করা হচ্ছে। বোস্টন পোস্ট যুক্তি দেয় : ‘আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের পাবলিক লাইব্রেরি থেকে সোভিয়েতপন্থি সাহিত্য নিষিদ্ধ করা উচিত।’ তবে লাইব্রেরির পরিচালক মিল্টন ই. লর্ড এই যুক্তির বিরোধিতা করে বলেন : ‘রাজনৈতিক বা আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ের তথ্য নাগরিকদের কাছে থাকা আবশ্যক, যাতে তারা দেশের বন্ধু ও শত্রু সম্পর্কে সচেতন হতে পারেন।’ লাইব্রেরির পক্ষে-বিপক্ষে নানা বিতর্কের শেষে ১৯৫২ সালের ৩ অক্টোবর লাইব্রেরি কমিটি ৩-২ ভোটে কমিউনিস্ট বইয়ের সংগ্রহ রেখে দেওয়ার পক্ষে রায় দেয়।
১৯৫৩ সালে এই বিতর্ক আন্তর্জাতিক রূপ নেয়। সেনেটর ম্যাককার্থি মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের অধীনে থাকা ‘আন্তর্জাতিক তথ্য সংস্থা’র বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, তাদের কাছে ৪১৮ জন বিতর্কিত লেখকের প্রায় ৩০,০০০ মার্কিন-বিরোধী বই রয়েছে। যদিও এই লাইব্রেরিগুলোর মূল উদ্দেশ্য ছিল মার্কিন পাঠকদের পঠন-পাঠনের ওপর একটি নিরপেক্ষ চিত্র তুলে ধরা। কিন্তু তৎকালীন পররাষ্ট্র দপ্তর ম্যাককার্থির চাপে সব বিতর্কিত লেখক এবং যুক্তরাষ্ট্রীয় নীতির সমালোচনামূলক বই সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেয়। এমনকি গোয়েন্দা কাহিনিও বাদ যায়নি। অস্ট্রেলিয়া ও সিঙ্গাপুরে অবস্থিত মার্কিন লাইব্রেরির কর্মীরা সেখানকার মার্কিন লাইব্রেরিতে থাকা অনেক বই পুড়িয়ে ফেলেন।
১৯৫৩ সালের ১৪ জুন ডার্টমাউথ কলেজের সমাবর্তন ভাষণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আইজেনহাওয়ার সেন্সরশিপ নিয়ে কথা বলেন : ‘বই পোড়ানোর দলে যোগ দেবেন না।’ তিনি মার্কস এবং অন্যদের লেখা পড়ার পক্ষে মত দেন যাতে বিশ্বসংকট এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের উদ্দেশ্য সম্পর্কে সচেতন থাকা যায়। তবে পরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি মার্কিন সরকার উৎখাতের উসকানি দেওয়া বইগুলোর বিরোধিতা করেন।
আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টোকেন্দ্রিক সেন্সরশিপের ইতিহাস বেশ পুরনো। উনিশ শতকে (১৮৮২-১৯০০) রুশ ফেডারেশন রাজনৈতিক কারণে কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো নিষিদ্ধ করেছিল। ১৮৭৮ সালে প্রুশিয়ায় বিসমার্ক রাইখস্টাগকে সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটদের সাহিত্য নিষিদ্ধ করতে রাজি করান। ১৯২৯ সালে চীনের জাতীয়তাবাদী সরকারও ম্যানিফেস্টো এবং দাস ক্যাপিটাল পড়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। ১৯৩৩ সালে জার্মানির বার্লিনে প্রকাশ্যে যে ২৫,০০০ বই পোড়ানো হয়েছিল, তার মধ্যে মার্কসের লেখা বইও ছিল। পরবর্তীকালে অস্ট্রিয়া ও চেকোস্লোভাকিয়াতেও নাৎসিরা বই ধ্বংস করা অব্যাহত রাখে।
এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ‘যেসব দেশে মার্কসবাদী সাহিত্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে তার পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়ন করা অসম্ভব... তবে এটি ধরে নেওয়া যায় যে, যেসব সরকার চরম ডানপন্থি, সর্বগ্রাসী বা স্বৈরাচারী নীতি অনুসরণ করে, তারা কমিউনিজমের বই নিষিদ্ধ করতে বেশ তৎপর।’ ১৯৪০ থেকে ১৯৪৫ সালের মধ্যে জার্মানি তাদের দখল করা দেশগুলোতে (ফ্রান্স, বেলজিয়াম, পোল্যান্ড, যুগোস্লাভিয়া, গ্রিস ইত্যাদি) ম্যানিফেস্টো নিষিদ্ধ করেছিল। ১৯৫০ সালের এক জরিপে দেখা যায়, বিশ্বের ১৬টি দেশ কমিউনিস্ট পার্টি এবং তাদের বইপত্র আইনগত বা অন্য উপায়ে নিষিদ্ধ করেছিল।
১৯৪৬ সালে জার্মানিতে নিযুক্ত মার্কিন সামরিক সরকার নাৎসি মতাদর্শ নির্মূল করতে হিটলার, গোয়েবলস, মুসোলিনি এবং কার্ল মার্কসের বই নিষিদ্ধ বা ধ্বংস করার নির্দেশ দেয়; যা ছিল এক ধরনের চরম নির্মম পরিহাস। কারণ নাৎসিরা এর মাত্র ১১ বছর আগে অন্যদের বই পুড়িয়েছিল। কী নির্মমভাবে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটে।
এমনকি ১৯৮৮ সালের ১৮ অক্টোবর এবং ১৯৮৯ সালের ৮ মার্চ গ্রেনাডার শুল্ক কর্মকর্তারা নিউ ইয়র্ক থেকে পাঠানো রাজনৈতিক এবং ঐতিহাসিক যেসব বই বাজেয়াপ্ত করেছিল, তার মধ্যে ছিল কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো, ভি. আই. লেনিনের দ্য স্টেট অ্যান্ড রেভল্যুশন, নেলসন ম্যান্ডেলার দ্য স্ট্রাগল ইজ মাই লাইফ, মরিস বিশপের মরিস বিশপ স্পিকস : দ্য গ্রেনাডা রেভল্যুশন ১৯৭৯-৮৩, ম্যালকম এক্সের ম্যালকম এক্স স্পিকস এবং কংগ্রেস সদস্য মারভিন ডাইমালি ও জেফরি এম. এলিয়ট কর্তৃক গৃহীত ফিদেল কাস্ত্রোর সাক্ষাৎকারভিত্তিক বই নাথিং ক্যান স্টপ দ্য কোর্স অব হিস্ট্রি : অ্যান ইন্টারভিউ উইথ ফিদেল কাস্ত্রো।
নিষিদ্ধ শব্দবাণ
দ্য ম্যানিফেস্টো অব দ্য কমিউনিস্ট পার্টি
‘নিষিদ্ধ শব্দবাণ’ বিশ্বসাহিত্যের সেইসব বইয়ের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস, যেগুলো কোনো না কোনো সময়ে রাষ্ট্র, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, মতাদর্শিক গোষ্ঠী কিংবা সামাজিক রক্ষণশীলতার কারণে নিষিদ্ধ, বিতর্কিত বা দমনের শিকার হয়েছিল। প্রতিটি পর্বে তুলে ধরা হবে একটি বইয়ের প্রকাশ-ইতিহাস, নিষিদ্ধ হওয়ার প্রেক্ষাপট এবং সময়ের সঙ্গে তার সাহিত্যিক ও বৌদ্ধিক গুরুত্বের পুনর্মূল্যায়নের গল্প
নিষিদ্ধ শব্দবাণ-১
জিভাগোর ইতিকথা
নিষিদ্ধ শব্দবাণ-২
লেডি চ্যাটার্লিজ লাভার
নিষিদ্ধ শব্দবাণ-৩
লোলিতা
মাসুদুজ্জামান
প্রকাশ : ২২ আগস্ট ২০২৬, ০৪:২০ এএম
আপডেট : ২২ আগস্ট ২০২৬, ০৪:২৬ এএম
গ্রাফিক্স : দেশ রূপান্তর
×
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
- ১
- ২
- ৩
- ৪
- ৫
- ৬
- ৭
- ৮
- ৯
- ১০
- ১
- ২
- ৩
- ৪
- ৫
- ৬
- ৭
- ৮
- ৯
- ১০