সিনেমাপাড়ায় নির্বাচনী আবহ

আপডেট : ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৪৮ এএম

দুই বছরের মেয়াদ শেষ। আগামী ২৪ এপ্রিল ভেঙে যাচ্ছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির বর্তমান কার্যনির্বাহী পরিষদ; যেখানে নেতৃত্বে আছেন মিশা সওদাগর ও মনোয়ার হোসেন ডিপজল। সমিতির গঠনতন্ত্রের ৮ (চ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার ৯০ দিন অর্থাৎ ৩ মাসের মধ্যে নির্বাচন দেওয়ার নিয়ম। সেই রীতি অনুযায়ী আগামী জুলাইয়ের শেষে অথবা আগস্টের শুরুর দিকে নতুন মেয়াদের নির্বাচন হওয়ার কথা। এদিকে বেশ কয়েকদিন ধরেই সিনেমাপাড়ায় চলছে নির্বাচনের আবহ। দ্বিবার্ষিক এই নির্বাচনে প্রার্থিতা নিয়েও এক ধরনের প্রস্তুতি চলছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে কারা প্রার্থী হবেন এবং তাদের প্যানেলে কারা থাকবে, এ নিয়েও চলছে আলোচনা। এই আলোচনায়  সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন কিংবদন্তি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী আনোয়ারার সুযোগ্য কন্যা চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি। এরইমধ্যে বিভিন্ন বিভিন্ন গণমাধ্যমে চাউর হয়েছে আসন্ন শিল্পী সমিতির নির্বাচনে বর্তমান কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য মুক্তি এবার লড়াই করবেন সাধারণ সম্পাদক পদে। নির্বাচনের জন্য প্রচারণা প্রস্তুতির পাশাপাশি সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করছেন এই অভিনেত্রী। বিশেষ করে গত পহেলা বৈশাখে এফডিসিতে শিল্পী সমিতির মিলনমেলায় সবার সঙ্গে কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি ভোট প্রত্যাশার আভাস দেন।

মুক্তি বলেন, আমার নির্বাচন করার মূল শক্তি জুগিয়েছে সমিতির সিনিয়র সদস্য থেকে শুরু করে সাধারণ সদস্যরা। আমার মায়েরও ইচ্ছা আমি নির্বাচন করি। আমার মা সব সময় চাইতেন, আমি যেন শিল্পীদের কল্যাণে আরও বড় দায়িত্বে যাই। তার ইচ্ছা ছিল, আমি যেন শিল্পী সমিতির নেতৃত্বে থেকে কাজ করি। সেই স্বপ্ন পূরণ করতেই এবার সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচনে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

 শুধু মায়ের স্বপ্নই নয়, বর্তমান কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতাও তাকে উৎসাহিত করেছে বলে জানান মুক্তি। গত দেড় বছরে তিনি সহকর্মী শিল্পীদের সঙ্গে নানা সামাজিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। মুক্তির কথায়, ‘ঈদ উপলক্ষে শিল্পীদের উপহার বিতরণ, বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন এবং প্রয়াত শিল্পীদের স্মরণে বড় পরিসরে স্মরণসভার মতো উদ্যোগে যুক্ত থাকার অভিজ্ঞতা তাকে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আরও আত্মবিশ্বাসী করেছে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত