রোমানিয়ার জঙ্গলের পরিচিতি পৃথিবীর ‘ভয়ংকর জঙ্গল’ হিসেবে। বিশে^র অন্যতম ঘন জঙ্গল এটি। প্রায় ৬১৮ একর জুড়ে বিস্তৃত জঙ্গলটি। স্যাঁতসেঁতে গভীর জঙ্গলে ঢুকলেই গা ছমছম করে। প্রশাসনের পক্ষে, হোয়া বাচুর প্রবেশপথে সতর্কীকরণ আছে। কারণ এর নেপথ্যে রয়েছে নানা কিংবদন্তি, যে ঘটনাগুলোর ব্যাখ্যা মেলেনি আজও। হোয়া বাচুতে নিখোঁজ হওয়ার কারণে, অনেকে জঙ্গলটিকে ‘বারমুডা ট্রায়াঙ্গল’ বলেন। জঙ্গলটি খ্যাতি পেয়েছিল ‘এমিল বার্নিয়া’ নামের একজন সামরিক প্রযুক্তিবিদের হাত ধরে। তার দাবি ছিল, জঙ্গলের মধ্যে ‘ভিনগ্রহীদের যান’ দেখেছেন। সেই যানের ছবি তুলেছিলেন তিনি। ছবিটি ছাপা হওয়ার পর, বিশ^জুড়ে হইচই পড়ে। আশ্চর্যের বিষয়, হোয়া বাচু গাছগাছড়ায় পরিপূর্ণ হলেও যান নামার অংশটি ফাঁকা। গাছপালা দূর, ঘাস পর্যন্ত জন্মায় না সেখানে। শুধু এমিল নন, অনেকে ‘ভিনগ্রহীদের যান’ দেখেছেন বলে দাবি করেন। কেউ এক ধাপ এগিয়ে ‘ভিনগ্রহী’র মুখোমুখি হওয়ার দাবি করেন। অনেকে মনে করেন, যারা জঙ্গলে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছিলেন তাদের ‘অতৃপ্ত আত্মা’ জঙ্গলে ঘুরে বেড়ায়। কয়েকজন জঙ্গল অভিযানে গিয়ে ‘অদ্ভুত কণ্ঠস্বর’ শুনেছেন বলে দাবি করেন। কেউ বলেন, হোয়া বাচুতে প্রবেশের পর অভিযাত্রীদের শরীর খারাপ হয়। অনেকের মাথা ঘোরা এবং বমি ভাবের পাশাপাশি নাকি দৃষ্টিভ্রম হয়। তবে রোমানিয়ার বিজ্ঞানীদের একাংশ, হোয়া বাচু বনকে ‘রহস্যময়’ ভাবতে নারাজ। তারা বলছেন, পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের কোন প্রভাবের কারণে মানুষের শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে।
ভয়ংকর জঙ্গল ‘হোয়া বাচু’
প্রকাশ : ২১ আগস্ট ২০২৬, ১২:৩২ এএম
আপডেট : ২১ আগস্ট ২০২৬, ১২:৩২ এএম
ভয়ংকর জঙ্গল ‘হোয়া বাচু’
×
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
- ১
- ২
- ৩
- ৪
- ৫
- ৬
- ৭
- ৮
- ৯
- ১০
- ১
- ২
- ৩
- ৪
- ৫
- ৬
- ৭
- ৮
- ৯
- ১০