নিউজিল্যান্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজের আগে টাইগার শিবিরে নতুন রোমাঞ্চের নাম দুই তরুণ—রিপন মণ্ডল ও আব্দুল গাফফার সাকলাইন। ঘরোয়া ক্রিকেট ও বিপিএলে নজরকাড়া পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবে জাতীয় দলে জায়গা করে নিয়েছেন তারা। অধিনায়ক লিটন দাস স্পষ্ট করেছেন যে, কেবল স্কোয়াডে রাখাই নয়, বরং এই তরুণদের মাঠে নামিয়ে বাজিয়ে দেখতে তিনি আগ্রহী।
প্রথম ম্যাচের আগের সংবাদ সম্মেলনে লিটন জানান, মূল বোলারদের ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের কারণেই নতুনদের পরখ করার সেরা সময় এটি। তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমানের মতো অভিজ্ঞদের চোটমুক্ত রাখতে বোলারদের রোটেশন পদ্ধতিতে খেলানোর কথা ভাবছে টিম ম্যানেজমেন্ট। লিটনের মতে, যেহেতু বিশ্বকাপ এখনো অনেক দূরে, তাই তরুণদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের আবহে গড়ে তোলার জন্য এটি একটি চমৎকার সুযোগ।
"তাসকিন ও মোস্তাফিজ বাংলাদেশের জন্য বড় সম্পদ; আমি চাই না তারা টানা ক্রিকেট খেলে চোটে পড়ে যাক। সামনে ওয়ানডে এবং টেস্টে অনেক খেলা আছে, সেসব মাথায় রেখেই পরিবর্তন আনা হয়েছে। যেহেতু বিশ্বকাপ অনেক দেরি, তাই নতুনদের ম্যাচ খেলিয়ে গড়ে তোলার এটাই ভালো সুযোগ।"
আধুনিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে লোয়ার অর্ডার ব্যাটিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। লিটন আশা করছেন, নাসুম আহমেদ, শেখ মেহেদী ও রিশাদ হোসেনরা ব্যাটিংয়ে অবদান রাখলে দলের গভীরতা বাড়বে। অধিনায়ক বলেন, "যদি নয় নম্বর পর্যন্ত কার্যকর ব্যাটিং পাওয়া যায়, তবে টপ অর্ডার ব্যাটাররা আরও ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলতে পারবেন।"
বিশেষ করে আব্দুল গাফফার সাকলাইনের ফিনিশিং দক্ষতা লিটনের নজর কেড়েছে। বিপিএলে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের হয়ে তার ব্যাটিং ও বোলিংয়ের যে ভারসাম্য ছিল, সেটি জাতীয় দলেও দেখতে চান অধিনায়ক, "বিপিএলে তার পারফরম্যান্স ছিল 'আই ক্যাচিং' বা নজরকাড়া। বোলিংয়ের পাশাপাশি তার ফিনিশিংও দুর্দান্ত ছিল। তাকে দলের সাথে রেখে আরও উন্নত করার চেষ্টা করব আমরা।"
'তোমাদের জন্য মেসিকেও খারাপ দেখাচ্ছে'- মায়ামির ড্রয়ে ক্ষুব্ধ সমর্থকরা