অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টের আগে দলের ইনজুরি সমস্যা ও কম্বিনেশন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আপডেট দিয়েছেন বাংলাদেশ দলের টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ডারউইনে আজ সংবাদ সম্মেলনে তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, উইকেটকিপার-ব্যাটার লিটন দাস এখন শতভাগ ফিট আছেন। তবে ছোটখাটো কিছু চোটের কারণে চূড়ান্ত একাদশ ম্যাচ এখনও নির্ধারণ করেনি সফরকারীরা।
ব্যাটিং বিপর্যয় যখন চলমান তখন বোলিং ইউনিটই বাংলাদেশ দলের বড় ভরসা। শান্ত মুখেও দলের ভালো কিছুর প্রত্যাশাটাও পেসারদের ঘিরেই।
পেসারদের নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘তবে গত কয়েক বছর ধরে আমাদের যে বোলিং ইউনিট আছে, তারা সত্যিই দারুণ করছে। আমাদের তাসকিন আছে, হাসান আছে। আপনি যদি হাসানের দিকে তাকান, সে কিছুদিন আগে কাউন্টি ক্রিকেটে খেলেছে এবং ভালো করেছে। তাই বোলিং নিয়ে আমি বেশ আত্মবিশ্বাসী যে তারা এই কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেবে এবং প্রতিপক্ষকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেবে।’
এবাদতকে নিয়েও বেশ আশাবাদী শান্ত। ‘আমার মনে হয় ইনজুরির আগে এবাদত দুর্দান্ত ফর্মে ছিল। সে ইনজুরি থেকে ফিরে দুই-তিনটি টেস্ট ম্যাচ খেলেছে এবং ভালো বোলিংও করেছে। আমি আশা করি সে যদি আগামীকাল খেলার সুযোগ পায়, দলের জন্য বিশেষ কিছু করে দেখাবে।’ এছাড়া আরেক পেসার শরিফুল ইসলামের দ্বিতীয় টেস্টে ফেরার সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
ব্যাটিং বিপর্যয়, যেন এক পুরোনো রোগে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ দলের। পেস বিভাগ নিয়ে আশার বাণী শোনালেও এক পর্যায়ে প্রশ্ন এল দলের অধিনায়ক ও ব্যাটার হিসেবে ব্যাটিং নিয়ে এই সিরিজে তার চিন্তাভাবনা কেমন। সেখানে শান্ত উত্তর, ‘গত দুই-তিন বছরের দিকে তাকালে দেখা যাবে টেস্ট ক্রিকেট ভালো যাচ্ছে এবং দল হিসেবে আমরা উন্নতি করেছি। গত টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্রে আমরা সাতে শেষ করেছিলাম, এখন আমরা চারে আছি। আমাদের সামনে এখনও আটটি টেস্ট ম্যাচ বাকি আছে। তাই আমি মনে করি দল হিসেবে আমরা ধীরে ধীরে আমাদের খেলায় উন্নতি করেছি। আর বোলিং ইউনিট হিসেবে আমরা দারুণ কাজ করছি। সুতরাং, যদি আমরা আমাদের ব্যাটিংয়ে সামান্য আরও উন্নতি করতে পারি এবং ব্যাটিং বিভাগে ভালো করতে পারি, তবে ভবিষ্যতে এটি একটি দুর্দান্ত দল হয়ে উঠবে।’
খারাপ দিন পেছনে ফেলে ডারউইনে পাঁচ দিন লড়াইয়ে আশাবাদী শান্ত