মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের অন্যতম মাধ্যম কোরবানি। এই ইবাদতের সার্থকতা নির্ভর করে অন্তরের তাকওয়া এবং পশুর গুণগত মানের ওপর। পবিত্র মনে আল্লাহর দরবারে সর্বোত্তম উৎসর্গ পেশ করাই ইসলামের মূল শিক্ষা। অনেক সময় অজ্ঞতাবশত বা অবহেলার কারণে আমরা রুগ্ন বা শারীরিক ত্রুটি আছে এমন পশু নির্বাচন করে ফেলি।
অথচ হাদিসে রাসুল (সা.) কোরবানির পশুর শারীরিক সক্ষমতা ও সুস্থতার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট মানদণ্ড নির্ধারণ করে দিয়েছেন। সুস্থ ও সবল পশু কোরবানির প্রয়োজনীয়তা এবং এই সংক্রান্ত সুস্পষ্ট বিধানগুলো প্রতিটি মুসলিমের জেনে রাখা আবশ্যক।
ছয় ধরনের পশু দিয়ে এ কোরবানি করা যায়। তা হলো উট, গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা। তবে এ পশুগুলো সুনির্দিষ্ট কিছু দোষ-খুঁত ও সমস্যা থেকে মুক্ত থাকতে হবে। অবশ্যই সুস্থ, সুন্দর ও পষ্ট-পুষ্ট হতে হবে কোরবানির পশু। যেসব সমস্যা থাকলে কোরবানি হবে না সেগুলো কী?
হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, চার ধরনের পশু দ্বারা কোরবানি করা যায় না। যে পশুর চোখের দৃষ্টিহীনতা স্পষ্ট, যে পশু অতি রুগ্ন, যে পশু সম্পূর্ণ খোঁড়া এবং যে পশু এত শীর্ণ যে, তার হাঁড়ে মজ্জা নেই। (জামে তিরমিজি)
অন্য হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, আলী (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) আমাদেরকে শিং ভাঙ্গা এবং কান কাটা পশু দ্বারা কোরবানি করতে নিষেধ করেছেন। (জামে তিরমিজি)
কোরবানি করা হয় মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য। তাই নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী উত্তম ও ভালো পশু নির্বাচন করাই কাম্য।
গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী ড. হাফিজুর রহমান