ঢোল সালোয়ার যেমন আরামদায়ক তেমনি ক্যাজুয়াল ও ফরমাল দুই লুকেই পরা যায়

আপডেট : ১৩ মে ২০২৬, ০১:৫৪ এএম

বলরাম পাল

সহ-প্রতিষ্ঠাতা, হরিতকী

আমরা মূলত ট্র্যাডিশন মোটিফ, চিত্রকর্ম, হেরিটেজ স্থাপনা নিয়ে কাজ করি।  অধিকাংশ সময় ডিজাইনটি হাতে স্কেচ করে নিই। এরপর কম্পিউটারের মাধ্যমে ফাইনাল করি। তারপর স্ক্রিনপ্রিন্ট করে ফেব্রিকসে নিয়ে আসি। যেহেতু বেশ গরম পড়ছে এ বছর তাই সবার আগে পোশাকের আরামের বিষয়টা মাথায় রাখতে হয়। ফেব্রিকস হিসেবে মাইক্রো বাটার সিল্ক ব্যবহার করেছি। এগুলো বেশ আরামদায়ক এবং কালার গ্যারান্টি আছে। হরিতকীতে নানা ধরনের সালোয়ার পাবেন।

কামিজের ডিজাইন ও রঙের সঙ্গে মিল রেখে সালোয়ারের নিচের দিকে ৪ থেকে ৫ ইঞ্চি ডিজাইন পাবেন। এ ধরনের সালোয়ার কিংবা প্যান্ট যেকোনো এক রঙের জামার সঙ্গেও পরা যায়। একরঙা ঢোল পায়জামা আছে। সেগুলোয় নিচের দিকে রাবার দেওয়া। কেউ চাইলে একই রকম পায়জামায় রাবারের বদলে ফিতা নিতে পারেন। থাইল্যান্ডের ট্র্যাডিশনাল মোটিফ হলো হাতি। ডিজাইনে সেই  হাতি মোটিফ ব্যবহার করা হয়েছে। 

বিখ্যাত চিত্রশিল্পী শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের চিত্রকর্ম নিয়ে ডিজাইন করেছি। এছাড়া স্টেরি নাইট থিম ও ভ্যান গগের বিখ্যাত আর্টও ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ফেব্রিকসে। একটা সময় এই ধরনের সালোয়ার টিনদের মধ্যে আগ্রহ থাকলেও এখন সববয়সীরাই এর ক্রেতা। একদিকে এই সালোয়ার যেমন আরামদায়ক তেমনি ক্যাজুয়াল ও ফরমাল দুই লুকেই পরা যায়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত