চবিতে দুইদিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন

‘তরুণ প্রজন্মের হাত ধরে পরবর্তী বিশ্ব বিনির্মাণ হবে’

আপডেট : ১৩ মে ২০২৬, ০২:৪৯ এএম

তরুণ প্রজন্মের হাত ধরে পরবর্তী বাংলাদেশ বিনির্মাণ হবে। তরুণদের দক্ষ ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষার পাশাপাশি তাদের সামাজিক নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যের বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে। বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক কিশোর-কিশোরী ও তরুণদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে তাদের সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করা জরুরি।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগ ও জেন্ডার অ্যান্ড এডোলেন্স গ্লোবাল এভিডেন্স(জিএজিই)এর যৌথ উদ্যোগে ‘এডোলেন্স অ্যান্ড ইয়োং পিপলস ওয়েলবিং ইন বাংলাদেশ’' শীর্ষক দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনে এমন প্রত্যাশা রাখেন বক্তারা। সোমবার ও মঙ্গলবার (১১-১২ মে) চবির সমাজবিজ্ঞান অনুষদে এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। 

উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান। বিশেষ অতিথি ছিলেন চবি উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান এবং উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন, সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. এনায়েত উল্যা পাটওয়ারী, ইউএনএফপিএ বাংলাদেশের ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ মাসাকি ওয়াতাবে, জিএজিইর পরিচালক ড. নিকোলা জোন্স, যুক্তরাষ্ট্রের জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সারাহ বেয়ার্ড।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আলা উদ্দিন। সভাপতিত্ব করেন নৃবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুজ্জামান।

১২ মে অনুষ্ঠিত সমাপনী অধিবেশনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে সেরা তিন পোস্টার প্রেজেন্টারকে পুরষ্কার প্রদান করা হয়। সমাপনী অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন চবির নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. খাদিজা মিতু ও জিএজিইএর পরিচালক ড. নিকোলা জোন্স।

অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্যে জিএজিইর পরিচালক ড. নিকোলা জোন্স বলেন, আমাদের এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে আমরা জেন্ডার ইস্যু এবং তরুণ প্রজন্মকে নিয়ে কাজ করে থাকি। তরুণ প্রজন্মের সৃজনশীল কার্যক্রমের মাধ্যমেই একটি সুন্দর ও গতিশীল বিশ্ব বিনির্বাণ করা সম্ভব হবে। তরুণদের জন্য শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, কর্মসংস্থান এবং পুষ্টি নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিটি দেশ তরুণদের যথাযোগ্য নেতৃত্ব এবং সৃজনশীল ভাবনার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায়।

সমাপনী অধিবেশনে অনুষ্ঠান আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক বিভাগের অধ্যাপক ড. খাদিজা মিতু বলেন, আজকেরে আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে যারা অংশগ্রহণ করেছেন সবাইকে ধন্যবাদ দিতে চাই। এই কনফারেন্সের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কিশোর-কিশোরীদের বর্তমান চ্যালেঞ্জ, পুষ্টি, শিক্ষা এবং কর্মসংস্থান বিষয়ে একটি সুস্পষ্ট গাইডলাইন পাওয়া যাবে। বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা প্রোগ্রামে পেপার ও পোস্টার প্রেজেন্টেশন করেছেন। আজকের এই কনফারেন্সে যেসব গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়েছে সেটা সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাছাড়া এই একাডেমিক কনফারেন্সে শিক্ষার্থীরা বেশি সুযোগ পেয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত