ইসলামি স্কলার ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেছেন, অনেক কোরবানীর হাটে হাট-সংক্রান্ত ঘোষণার ফাঁকে ফাঁকে মাইকে গান বাজানো হয়।
একটি মৌলিক ইবাদতকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা হাটে গান বাজানো এবং কোরবানীর পশু কিনতে আসা মানুষদের জোরপূর্বক গান শুনতে বাধ্য করা অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা।
একটি মৌলিক ইবাদতকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা হাটে গান বাজানো এবং কুরবানীর পশু কিনতে আসা মানুষদের জোরপূর্বক গান শুনতে বাধ্য করা অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা।
এটি এক প্রকার অনধিকার চর্চারও নামান্তর।
যিলহজের প্রথম দশকের অন্যতম ইবাদত তাকবীর। যিলহজে তাকবীরের এতই গুরুত্ব যে, অনেক সাহাবী মানুষদের শোনানোর উদ্দেশ্যে বাজারে গিয়ে তাকবীর বলতেন।
হাটের মাইকে গান না বাজিয়ে মধ্যম আওয়াজে থেমে থেমে তাকবীর বাজালে একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ হবে। যার যার জায়গা থেকে হাট কর্তৃপক্ষের কাছে দাওয়াত পেশ করা দরকার।
তাহলে একটি হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ ও নেক আমলের ধারা চালুর জন্য চলমান সওয়াবের ভাগিদার হতে পারি আমরা।’
মঙ্গলবার ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ‘অনেক কুরবানীর হাটে হাট-সংক্রান্ত ঘোষণার ফাঁকে ফাঁকে মাইকে গান বাজানো হয়।
নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জামায়াত নেতার