অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় ছয় খাতে সংস্কার চায় পিআরআই

আপডেট : ২২ মে ২০২৬, ০৮:৩৫ এএম

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটকে সামনে রেখে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং উচ্চ প্রবৃদ্ধি পুনরুদ্ধারে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সংস্কারের তাগিদ দিয়েছে পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই)। প্রবৃদ্ধি পুনরুদ্ধারে সংস্থাটি ছয়টি খাতে সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছে। এগুলো হলো জ্বালানি খাত পুনর্গঠন, বাণিজ্য ও শুল্ক কাঠামোর যৌক্তিকীকরণ, বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নয়ন, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের সংস্কার, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং উৎপাদনশীলতা-কেন্দ্রিক অবকাঠামো বিনিয়োগ।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর বনানীতে পিআরআই সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ‘রিস্টোরিং গ্রোথ থ্রু প্রোডাক্টিভিটি রিফর্মস : প্রি-বাজেট প্রায়োরিটিজ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব বিষয়ে প্রস্তাব দেয় সংস্থাটি। এতে সভাপতিত্ব করেন পিআরআই চেয়ারম্যান ড. জাইদি সাত্তার। প্রধান অতিথি ছিলেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংস্থাটির প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. আশিকুর রহমান। মূল প্রবন্ধে আশিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান চ্যালেঞ্জ শুধু চাহিদা সৃষ্টি করা নয় বরং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদার এবং অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি টেকসই প্রবৃদ্ধির ভিত্তি তৈরি করা। শুধু বাজারে চাহিদা বাড়িয়ে বা সরকারি ব্যয় বাড়িয়ে টেকসই প্রবৃদ্ধি সম্ভব নয়। এর জন্য একটি উৎপাদনশীলতা-ভিত্তিক নতুন গ্রোথ মডেল দরকার।

ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, উন্নয়ন ব্যয় কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও বাস্তবায়ন সক্ষমতার দুর্বলতায় কাক্সিক্ষত ফল মিলছে না। দেশে সংস্কার কার্যক্রম অনেক সময় বাস্তবায়নের বদলে বক্তব্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। সংস্কার যেন কেবল সেøাগান না হয়। অ-রাজনৈতিক সরকারের সময়ে অনেক উদ্যোগ নেওয়া হলেও বাস্তবে বড় সাফল্য আসেনি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত