কুড়িগ্রামে কমেছে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম। বাজারে আমদানি বৃদ্ধি ও মৌসুমি উৎপাদন বেশি হওয়ায় গত কয়েক দিনের ব্যবধানে বিভিন্ন সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তবে একই সঙ্গে কিছুটা বেড়েছে মসলা জাতীয় পণ্যের দাম।
শুক্রবার (২২ মে) সকালে কুড়িগ্রাম জিয়া কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, বেগুন প্রতি কেজি ৩০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, ঝিঙে ৩০ টাকা, করলা ৪০ টাকা এবং ঢেঁড়স ১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লাউ প্রতি পিস ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।
সবজির দাম কমে যাওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন সাধারণ ক্রেতারা। বাজার করতে আসা কয়েকজন ক্রেতা জানান, গত কয়েক সপ্তাহের তুলনায় এখন অনেক কম দামে সবজি পাওয়া যাচ্ছে। এতে সংসারের খরচ কিছুটা কমেছে।
কুড়িগ্রাম জিয়া বাজারের সবজি ব্যবসায়ী মাঈদুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে বাজারে স্থানীয় ও বাইরের জেলার সবজির আমদানি অনেক বেশি। সরবরাহ ভালো থাকায় প্রায় সব ধরনের সবজির দাম কমেছে।
আরেক ব্যবসায়ী লুৎফর রহমান বলেন, ঢেঁড়স, ঝিঙে ও বেগুনের উৎপাদন বেশি হওয়ায় দাম অনেকটা কমে গেছে। বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে আগামী কয়েকদিন সবজির দাম আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে বাজারে পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৬৫ টাকা এবং মানভেদে রসুন ৫০ থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহ ও পাইকারি বাজারে দামের তারতম্যের কারণেই মসলার বাজারে এই ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে।
ক্রেতা মাসুদ রানা বলেন, সবজির দাম কমায় কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। কিন্তু পেঁয়াজ-রসুনের দাম বাড়ায় রান্নাঘরের খরচ আবার বেড়ে যাচ্ছে।
আরেক ক্রেতা মফিজুল হক বলেন, অনেকদিন পর আজ সবজি দামটা অনেক কমেছে। এমন সবজির বাজার থাকলে আমাদের মতো সাধারণ মানুষ অনেক ভালো থাকতো।
