ঈদ মুসলিম উম্মাহর জীবনে এক অনাবিল আনন্দ ও আধ্যাত্মিক প্রশান্তির বার্তা নিয়ে আসে। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে এই বিশেষ দিনে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা নামাজ আদায়ের জন্য ঈদগাহে সমবেত হন। ঈদের নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রে ইসলাম সুনির্দিষ্ট কিছু রূপরেখা দিয়েছে। প্রতিটি সচেতন মুমিনের জন্য এটি পরিষ্কারভাবে জেনে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে, ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে কাদের জন্য এই বিশেষ নামাজ আদায় করা ওয়াজিব, আর কাদের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত বিবরণী উল্লেখ করা হলো।
এক. যাদের ওপর জুমার নামাজ ফরজ, তাদের ওপর ঈদের নামাজ ওয়াজিব। অর্থাৎ প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন, যেসব মুসলিম পুরুষ, জামাতে উপস্থিত হয়ে ঈদের নামাজ আদায়ের সক্ষমতা রাখে তাদের ঈদের নামাজ পড়তে হবে। (আল মুহিতুল বুরহানি ২/৪৭৬)
দুই. নারীদের ওপর ঈদের নামাজ ওয়াজিব নয়। অনুরূপ এমন অসুস্থ পুরুষ, যে ঈদগাহে উপস্থিত হয়ে ঈদের নামাজ আদায়ের সক্ষমতা রাখে না, তার ওপরও ঈদের নামাজ ওয়াজিব নয়। (বাদায়েউস সানাইয়ে ১/৬১৭)
তিন. মুসাফির তথা যে ৪৮ মাইল বা ৭৮ কি.মি. দূরত্বে যাওয়ার উদ্দেশে নিজ এলাকা ত্যাগ করেছে, এমন ব্যক্তির ওপর ঈদের নামাজ ওয়াজিব নয়। তবে সে যদি ঈদের নামাজ পড়ে তাহলে তা সহিহ হবে এবং এর সওয়াব পাবে। (বাদায়েউস সানাইয়ে : ১/৬১৭)
চার. হজের সফরে থাকা লোকদের জন্য ঈদুল আজহার নামাজের বিধান নেই। (আজজাখিরাতুল বুরহানিয়া ২/৩৯৪)
কত টাকা থাকলে কোরবানি ওয়াজিব হয়?