খাদ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মান নিয়ে মানুষের উদ্বেগ দূর করতে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনকে (বিএসটিআই) আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, ‘জিলাপি খেয়ে আতঙ্কে ভোগা’ স্বাভাবিক দেশের চিত্র হতে পারে না। গতকাল শনিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিএসটিআইয়ের প্রধান কার্যালয়ে বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ বছরের দিবসটির প্রতিপাদ্য ছিল ‘নীতি নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় আস্থা নির্মাণে মেট্রোলজি’।
মন্ত্রী বলেন, টেকসই সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের জন্য মানুষের মধ্যে আস্থা সৃষ্টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর সেই আস্থা নির্ভর করে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত পণ্যের মানের ওপর। খাদ্যপণ্যসহ সব ধরনের প্রয়োজনীয় পণ্য সঠিক মাপে, সঠিক প্রক্রিয়ায় উৎপাদিত হয়েছে কি না এবং নির্ধারিত মান বজায় রাখা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করা জরুরি।
তিনি বলেন, ‘জিলাপি খাওয়ার সময়, আপনি যদি এক কামড় জিলাপি খান, আর সঙ্গে আতঙ্কে ভোগেন, এটার মধ্যে ‘হাইড্রোজ’ আছে না কি; এটা তো একটা সুস্থ স্বাভাবিক দেশের (অবস্থা) হতে পারে না।’
দেশের বিপুল জনসংখ্যার তুলনায় পণ্যের মান তদারকিতে বিএসটিআইয়ের জনবল অপর্যাপ্ত উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, প্রতিষ্ঠানটির সক্ষমতা বাড়াতে সরকার কার্যকর জনবল কাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগ নেবে। এ জন্য ভারত, পাকিস্তান ও মালয়েশিয়াসহ কয়েকটি দেশের মডেল পর্যালোচনা করে দেশের প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন কাঠামো প্রণয়ন করা হবে।
সভায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, বিএসটিআইয়ের জনবল সংকট নিরসনে নতুন জনবল কাঠামোর প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য আবারও উপস্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত সচিব ও এফবিসিসিআই প্রশাসক মো. আবদুর রহিম খান, বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হক এবং পরিচালক (মেট্রোলজি) মো. মাজাহারুল হক।
