ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের সম্ভাব্য ‘পুশইন’ চেষ্টাকে ঘিরে কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। তবে বিজিবি ও স্থানীয় এলাকাবাসীর সতর্ক অবস্থানের কারণে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
বর্তমানে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং বিজিবি টহল বাড়িয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, শনিবার (৭ জুন) রাত প্রায় ১০টার দিকে জামালপুর ব্যাটালিয়ন (৩৫ বিজিবি) অধীন রৌমারী সীমান্তের ঝাউবাড়ী ও খেয়ারচর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বিএসএফের তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়। মেইন পিলার ১০৬৮ থেকে ১০৭১ নম্বর পিলার পর্যন্ত ভারতের ১৮৩ বিএসএফ সদরটিলা ক্যাম্পের সদস্যরা কয়েকজন বাংলা ভাষাভাষী ভারতীয় নাগরিককে সীমান্তের কাছাকাছি নিয়ে আসে বলে খবর পাওয়া যায়।
এ ঘটনার পর সম্ভাব্য ‘পুশইন’ ঠেকাতে সীমান্ত এলাকায় বিজিবি সদস্যরা টহল ও নজরদারি বাড়ায়। পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও বিজিবির সঙ্গে সমন্বয় করে সীমান্ত এলাকায় সতর্ক অবস্থান নেন। বিভিন্ন পয়েন্টে সাধারণ মানুষকে সীমান্ত পাহারায় অংশ নিতে দেখা গেছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. নজরুল ইসলাম জানান, শনিবার ও রবিবার রাতে বিএসএফ সদস্যরা সীমান্ত এলাকার লাইট বন্ধ করে কিছু মানুষকে বাংলাদেশের ভেতরে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চালায়। তবে বিজিবি ও এলাকাবাসীর যৌথ প্রতিরোধের মুখে তারা সফল হতে পারেনি।
রৌমারী খেয়ারচর বিজিবি ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার বশির আহমেদ বলেন, শনিবার ও রবিবার রাতের পাশাপাশি সোমবার সকালেও বিএসএফ কয়েকজন বাংলা ভাষাভাষী ব্যক্তিকে খেয়ারচর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করে। কিন্তু বিজিবি সদস্য ও স্থানীয় জনগণের শক্ত অবস্থানের কারণে তারা পিছু হটতে বাধ্য হয়।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং সীমান্তে নজরদারি অব্যাহত রাখা হয়েছে।
৪,৮০০ ‘অবৈধ অভিবাসী’ বাংলাদেশে ফেরত, অপেক্ষায় আরও ৮৩৬