২০২৭ সালের (হিজরি ১৪৪৮) হজের জন্য আনুষ্ঠানিক রোডম্যাপ প্রকাশ করেছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। ঘোষিত এই রোডম্যাপ অনুযায়ী, হজযাত্রীদের নিবন্ধন কার্যক্রম আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সালের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২০২৭ সালের ১৫ মে (৯ জিলহজ) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে।
গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবুবকর সিদ্দীক।
তিনি জানান, গত ২৯ মে সৌদি আরবের জেদ্দায় আয়োজিত এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে ২০২৭ সালের হজ কার্যক্রমের সময়সূচি ঘোষণা করে সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রীদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে রোডম্যাপ হস্তান্তর করা হয়। এতে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে অংশ নেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)। সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের সহকারী মন্ত্রী ড. আল হাসান বিন ইয়াহইয়া আল মানাখরাহ তার হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে হজের রোডম্যাপ তুলে দেন।
প্রকাশিত রোডম্যাপ অনুযায়ী, চলতি বছরের ২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে হজযাত্রী নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। আগামী ৮ নভেম্বর বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক হজ চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে।
এতে আরও বলা হয়েছে, ২০২৭ সালের ২৮ জানুয়ারি থেকে হজ ভিসা ইস্যু কার্যক্রম শুরু হবে। একই বছরের ৮ এপ্রিল শুরু হবে হজ ফ্লাইট পরিচালনা। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ১৫ মে (৯ জিলহজ) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে।
রোডম্যাপ অনুযায়ী, সৌদি প্রান্তের খরচের অর্থ নুসুক মাসার প্ল্যাটফর্মের ই-ওয়ালেটে সরাসরি স্থানান্তরের কার্যক্রম চলবে চলতি বছরের ১৫ জুলাই থেকে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
এ ছাড়া নুসুক মাসারের মাধ্যমে তাবু, সার্ভিস প্যাকেজ, মক্কা ও মদিনার হোটেল, ক্যাটারিং এবং পরিবহন সেবাসহ সামগ্রিক সেবা প্যাকেজ গ্রহণের লক্ষ্যে চুক্তি স্বাক্ষর শুরু হবে ২০২৬ সালের ২৯ জুলাই এবং শেষ হবে ২০২৭ সালের ২৩ জানুয়ারি।
হজযাত্রীদের তথ্য নুসুক মাসার সিস্টেমে আপলোড করতে হবে ২০২৬ সালের ১৪ আগস্ট থেকে ২০২৭ সালের ২৮ জানুয়ারির মধ্যে। পাশাপাশি হজযাত্রী পরিবহনকারী এয়ারলাইন্সের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর এবং নুসুক মাসারে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টেশন সম্পন্ন করতে হবে চলতি বছরের ২৯ জুলাই থেকে ৮ নভেম্বরের মধ্যে।
ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সব কার্যক্রম সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ব্যাংক একাউন্টে বাধ্যতামূলক হচ্ছে টিআইএন