দেশের নার্সিং ও মিডওয়াইফারি পেশাজীবীদের জন্য আসছে বড় সুখবর। এই খাতে উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত উন্নয়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি বিষয়ে ব্যাচেলর (স্নাতক) ও মাস্টার্স (স্নাতকোত্তর) ডিগ্রির সুযোগ ব্যাপক হারে বৃদ্ধি করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের সময় এই কথা জানান।
দেশের নার্সিং ও মিডওয়াইফারি শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে পেশাগত বৈষম্য দূরীকরণ, ডিপ্লোমা কোর্সের স্নাতক সমমান এবং সরকারি কলেজগুলোতে উচ্চশিক্ষার আসন সংখ্যা বাড়ানোর জন্য আন্দোলন ও দাবি জানিয়ে আসছিলেন।
উচ্চশিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধির পাশাপাশি কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও রয়েছে বড় সুখবর। দেশব্যাপী মানসম্মত ও জনমুখী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নতুন করে ১ লক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা থাকছে এই বাজেটে, যার ৮০ শতাংশই হবেন নারী। একই সাথে দীর্ঘদিনের শূন্যপদ পূরণে অবিলম্বে ৫ হাজার এমবিবিএস চিকিৎসকও নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।
এছাড়া সাধারণ বেকারদের কারিগরি দক্ষতা দিয়ে স্থানীয় ও বৈদেশিক বাজারের চাহিদা মেটাতে ৪ মাস মেয়াদি ‘জেনারেল কেয়ারগিভার’ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু করার বিষয়টিও বাজেটে নিশ্চিত করা হয়েছে।
এ বছর স্বাস্থ্যখাতে মোট ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকার এক বিশাল বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে, যা দেশের মোট জিডিপির ১.০১ শতাংশ। গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এ বাবদ বরাদ্দ ছিল ৩৫ হাজার ৪৭৭ কোটি টাকা। বাজেটের একটি অংশ নার্সিং খাতের আধুনিকায়ন এবং চিকিৎসকদের নতুন ও সময়োপযোগী এমবিবিএস কারিকুলাম (যেখানে এআই এবং আধুনিক ক্লিনিক্যাল মডিউল থাকবে) প্রণয়নে ব্যয় করা হবে।
বাজেটে সরকারের ১০ অগ্রাধিকার খাত