দক্ষিণ বলিভিয়ার মরু অঞ্চলে অবস্থিত বিশাল আয়না ভূমি ‘সালার দে ইউনি’। ১০ হাজার ৫৮২ বর্গকিলোমিটারের এই আয়না ভূমি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩৬ হাজার ৫৬৫ মিটার উঁচুতে অবস্থিত। মূলত মিনচিন হ্রদের পানি শুকিয়ে এই সমতল ভূমির সৃষ্টি। শুকনো হ্রদের তলানির লবণ ও লিথিয়ামসহ বহু খনিজ পদার্থ মজুদ রয়েছে। ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত বৃষ্টিপাত স্থায়ী হয় এখানে। আর বৃষ্টি হলে লবণের ভূমি এতটাই স্বচ্ছ দেখায় যে, সেসময় এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আয়নায় পরিণত হয়। লবণে এই ভূমি পর্যটকদের জন্য সারা বছরই উন্মুক্ত থাকে। ছোট ছোট দ্বীপ নিয়ে গঠিত, এই পর্যটন কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য রয়েছে উন্নত যাতায়াত ব্যবস্থা। রয়েছে বিভিন্ন হোটেল। অবাক করার বিষয় এই যে, ২০০৭ সালে এখানে গড়ে তোলা হয় ‘প্যালাসিও দে স্যাল’ অর্থাৎ ‘লবণের প্রাসাদ’। হোটেলটির মেঝে, দেয়াল, ছাদ থেকে শুরু করে খাট, চেয়ার-টেবিলসহ যাবতীয় সব আসবাবপত্র লবণের ইট দিয়ে তৈরি। ১৪ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যরে প্রায় ১০ লাখ লবণের ইটের ব্যবহার রয়েছে এখানে। কেবল পর্যটকই নয়, বরং ৮০ হাজার প্রজাতির পাখিসহ নানা রকম প্রাণীর প্রজনন কেন্দ্রও এটি।
আয়না যখন লবণের ভূমি
প্রকাশ : ১৮ জুন ২০২৬, ০১:০৮ এএম
আপডেট : ১৮ জুন ২০২৬, ০১:০৮ এএম
আয়না যখন লবণের ভূমি
×
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
- ১
- ২
- ৩
- ৪
- ৫
- ৬
- ৭
- ৮
- ৯
- ১০
- ১
- ২
- ৩
- ৪
- ৫
- ৬
- ৭
- ৮
- ৯
- ১০