হবিগঞ্জের মাধবপুরের ছাতিয়াইন ইউনিয়নের শিমুলঘর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল আউয়াল দীর্ঘদিন ধরে গাছ কেনাবেচার ব্যবসার মাধ্যমে পরিবার-পরিজন নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। কিন্তু প্রায় দেড় বছর আগে গাছ কাটার সময় একটি ডাল ভেঙে নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন তিনি। এতে তার ডান পা ভেঙে যায়।
পরিবার জানায়, দীর্ঘদিন চিকিৎসা করিয়েও সর্বশান্ত হলেও এখন পর্যন্ত পুরোপুরি সুস্থ হতে পারেননি আউয়াল। বর্তমানে তিনি স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা করতে পারেন না। ক্রাচের সাহায্যে চলাফেরা করলেও বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে বা হাঁটতে পারেন না। ফলে দুর্ঘটনার পর থেকেই তার আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে যায় এবং পরিবারটি চরম আর্থিক সংকটে পড়ে।
এরই মধ্যে নতুন করে বিপদ নেমে এসেছে পরিবারটিতে। কয়েকদিন আগে তার স্ত্রী নাসিমা বেগমের পায়ে অজ্ঞাত কারণে গুরুতর ক্ষত সৃষ্টি হয়। স্থানীয়ভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিষাক্ত কোনো কিছুর সংস্পর্শে আসার কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে তার পা ফুলে গেছে এবং ক্ষতস্থানে পচন (গ্যাংরিন) ধরার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অসহনীয় যন্ত্রণায় ভুগলেও অর্থাভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেন না তিনি।
আব্দুল আউয়াল জানান, বসতভিটা ও মাথা গোঁজার সামান্য আশ্রয় ছাড়া তাদের আর কোনো জায়গা জমি নেই। ধারদেনা করে এতদিন কোনোভাবে চললেও এখন স্ত্রীর চিকিৎসার ব্যয় বহন করা তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
এ অবস্থায় স্ত্রী নাসিমার চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবান ও হৃদয়বান মানুষের কাছে মানবিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন অসহায় আব্দুল আউয়াল।