স্থানীয় কোচে আস্থা বিসিবির

আপডেট : ২৩ জুন ২০২৬, ০৭:৪৮ এএম

চলতি জুনেই শেষ হচ্ছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের প্রধান কোচ নাভিদ নেওয়াজের চুক্তির মেয়াদ। তবে একই দায়িত্বে নতুন করে চুক্তি না হলেও এ শ্রীলংকান কোচকে ছাড়ছে না বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। গেম ডেভেলপমেন্ট বিভাগের অধীনে অনূর্ধ্ব-২৩ নামে নতুন একটি ইউনিট চালু করছে বোর্ড। আপাতত সেই বিভাগের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পাচ্ছেন নাভিদ। অন্যদিকে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের জন্য স্থানীয় কোচিং স্টাফের ওপরই আস্থা রাখছে বিসিবি। গতকাল মিরপুরে একটি সংবাদ সম্মেলনে যুব দলের কোচিং স্টাফের নাম ঘোষণা করেন গেম ডেভেলপমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান ফাহিম সিনহা।

আগামীতেও বিসিবির বিভিন্ন কর্মসূচিতে স্থানীয় কোচদের আধিক্য বাড়বে বলে মন্তব্য করেন বিসিবি পরিচালক ও মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ রব্বানি, ‘আমাদের পরিকল্পনা মূলত স্থানীয় কোচদের উন্নীত করা এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করা। তাদের সুযোগ-সুবিধা ও অভিজ্ঞতা দেওয়া, যেখানে তাদের বিকাশের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা থাকবে। এ কারণেই আপনারা দেখছেনÑ আমাদের জাতীয় তারকাদের আমরা ভবিষ্যতে বিভিন্ন কোচিং দায়িত্বে আনার পরিকল্পনা করেছি।’ এ ধারাবাহিকতায় যুব দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব পেয়েছেন হান্নান সরকার। যদিও বিসিবির একাধিক সূত্রে জানা গেছে, শুধু এ পদে বিদেশি কোচ নেওয়ার ইচ্ছা থাকলেও অল্প সময়ের মধ্যে উপযুক্ত কাউকে খুঁজে পায়নি বোর্ড। ঘরোয়া ক্রিকেটে হান্নানের অভিজ্ঞতা ভালো। পাশাপাশি বয়সভিত্তিক দলের নির্বাচকের দায়িত্বও পালন করেছেন জাতীয় দলের সাবেক এ ক্রিকেটার। সে কারণেই ২০২৮ বিশ্বকাপ পর্যন্ত দায়িত্ব পেয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে ব্যাটিং কোচের ভূমিকাতেও থাকবেন হান্নান।

পেস বোলিং কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ডলার মাহমুদ। তবে স্পিন বোলিং কোচের পদে উপযুক্ত কাউকে না পাওয়ায় আপাতত গেম ডেভেলপমেন্ট বিভাগের পাকিস্তানি কোচ আরশাদ খান দায়িত্ব সামলাবেন। ফিল্ডিং কোচ হয়েছেন মোহাম্মদ সেলিম। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি এ দলের সহকারী কোচের দায়িত্বে ছিলেন। ফিটনেস ও কন্ডিশনিং কোচ রিচার্ড স্টোনিয়ারের সঙ্গে বিসিবির চুক্তি হয়নি। পারিবারিক কারণে তিনি থাকতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন। এ জন্য মোরশেদ হাসান সিজার যুব দলের দায়িত্ব পেয়েছেন। ফিজিও হিসেবে থাকবেন সাইফুদ্দিন আহমেদ। এ ছাড়া মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ মেন্টরের দায়িত্ব পালন করবেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত