নাটোরে পৃথক ২টি ঘটনায় রিকশাচালক ও এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রবিবার (২৮ জুন) সকালে সদর উপজেলার তেবাড়িয়া ইউনিয়নের জংলি এলাকার একটি পুকুর থেকে রিকশাচালক কমল কুমার দাস (৩৯) এবং ছাতনী ইউনিয়নের রায় আমহাটি গ্রামে নিজ বাড়ির সামনে থেকে মোতালেব হোসেন (৬৮) নামে এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত কমল কুমার দাস তেবাড়িয়া ইউনিয়নের লেংগুরিয়া মধ্যপাড়া এলাকার মৃত হীরালাল দাসের ছেলে। তিনি পেশায় একজন রিকশাচালক ছিলেন। অপরদিকে নিহত মোতালেব হোসেন রায় আমহাটি গ্রামের ইদ্রিস আলী খানের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় কমল কুমার দাস রিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি। রাতে স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। রবিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জংলি ঈদগাহ মাঠসংলগ্ন একটি পুকুরে তার মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের ভাই অমল কুমার দাস জানান, কমল মাঝে মধ্যে মদ্যপান করতেন। ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত মদ্যপানের পর বাড়ি ফেরার পথে পুকুরে পড়ে গিয়ে তিনি মারা যেতে পারেন।
অন্যদিকে, শনিবার রাত ১০টার দিকে সদর উপজেলার ছাতনী ইউনিয়নের রায় আমহাটি গ্রামে মোতালেব হোসেনের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহতের ছোট ছেলে চুন্নু আলম দাবি করেন, তার বাবা নিজেই ধারালো ছুরি দিয়ে গলায় আঘাত করে আত্মহত্যা করেছেন। তবে কী কারণে তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা পরিবারের সদস্যরা জানেন না।
নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনসুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দুটি মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর আধুনিক জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
বিপিজিএর সভাপতি মোহাম্মদ ইউনুছ, সম্পাদক সিফাত আহমেদ চৌধুরী