চিত্রপুরীতে ভোটের আমেজ

আপডেট : ২৯ জুন ২০২৬, ০৭:৪৪ এএম

নানা অভিযোগ-আপত্তির মধ্যেও জমে উঠেছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন। সবারই প্রত্যাশা একটি সুন্দর, সুষ্ঠু, পরিচ্ছন্ন ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, মূলধারার চলচ্চিত্রশিল্পের প্রাণ ফিরিয়ে আনতে এই নির্বাচন কতটা ফলপ্রসূ হবে? দিনের পর দিন বেকার থাকা শিল্পীদের কতটুকু প্রাণচঞ্চল করবে এবং তাদের স্বার্থ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে কতখানি কার্যকরী ভূমিকা রাখবে? যদিও এসব প্রশ্নের স্পষ্ট কোনো জবাব দিতে পারেননি দুই প্যানেলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীরা। লিখেছেন জাহাঙ্গীর বিপ্লব

সভাপতি প্রার্থী আরমান বলেন,‘আমাদের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। আমরা কোনো বিভেদ চাই না। সব শিল্পীকে সঙ্গে নিয়েই কাজ করতে চাই। সবাইকে এক ছাতার নিচে এনে শিল্পীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো একসঙ্গে মোকাবিলা করব। আমি বর্তমান কমিটিতেও দায়িত্বে আছি। শিল্পীরা আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছিলেন। সেই আস্থার প্রতিদান দেওয়ার চেষ্টা করেছি।’

নিজেদের পরিকল্পনা তুলে ধরে সভাপতি প্রার্থী শিবা শানু বলেন, ‘চলচ্চিত্র অঙ্গন বর্তমানে কঠিন সময় পার করছে এবং রাতারাতি সব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। তবে শিল্পীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংকট নিরসনে তারা আন্তরিকভাবে কাজ করতে চান। তিনি জানান, প্রতিশ্রুতির চেয়ে কাজই হবে তাদের প্রধান অঙ্গীকার। অভিজ্ঞ ও তরুণ সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত এই প্যানেল শিল্পীদের কল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করছি।’

জয়ের প্রতিদ্বন্দ্বী রুমানা ইসলাম মুক্তি বলেন, ‘অর্থ দিয়ে ভোট কেনার রাজনীতিতে বিশ্বাসী নই আমি। স্বচ্ছভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য সবার দোয়া কামনা করছি। সমিতির দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটানো, বিচ্ছিন্ন সদস্যদের পুনরায় একত্র করা এবং শিল্পীদের কল্যাণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করাই আমার মূল লক্ষ্য।’

সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী জয় চৌধুরী বলেন, ‘শিল্পীদের অধিকার ও স্বার্থরক্ষায় আমাদের প্যানেলের সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন বলেও প্রত্যাশা করছি। শিল্পী সমিতিকে আরও কার্যকর ও ঐক্যবদ্ধ সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করাই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য। শিল্পীদের কল্যাণ, পারস্পরিক সম্প্রীতি এবং চলচ্চিত্র অঙ্গনের উন্নয়নে তিনি সম্মিলিত উদ্যোগে কাজ করার জন্য আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত