সহ-আয়োজক হিসেবে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ মাতানো যুক্তরাষ্ট্রের সামনে এবার নকআউটের প্রথম পরীক্ষা। তবে প্রতিপক্ষ যখন ইতালিকে বাছাই পর্বে বিদায় করে ইতিহাস গড়া ‘ড্রাগনস’খ্যাত বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, তখন ম্যাচের সমীকরণ কেবল শক্তির বিচারে আটকে থাকে না।
গ্রুপ পর্বের প্রথম দুই ম্যাচে প্যারাগুয়ে ও অস্ট্রেলিয়াকে উড়িয়ে দিয়ে দাপটের সঙ্গেই শেষ বত্রিশে পা রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। শেষ ম্যাচে তুরস্কের কাছে ৩-২ গোলে হারলেও তা ছিল মূলত বেঞ্চের শক্তি পরখ করার ম্যাচ, যেখানে কোচ মাউরিসিও পচেত্তিনো নয়টি পরিবর্তন এনেছিলেন।
ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখলে দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ে অবশ্য একচ্ছত্র আধিপত্য যুক্তরাষ্ট্রের। ফুটবল মাঠে এর আগে তিনবার দেখা হয়েছে এই দুই দলের, যার সবকটিই ছিল ২০১৩ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে খেলা আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ। সেই তিনবারের দেখায় অপরাজিত যুক্তরাষ্ট্র; দুটি ম্যাচে জয়ের বিপরীতে একটি ম্যাচ হয়েছিল ড্র। তবে বিশ্বকাপের নকআউটের ইতিহাস যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে কথা বলছে না। বিশ্বকাপে নিজেদের শেষ ৮টি নকআউট ম্যাচের ৭টিতেই হেরেছে তারা, যার সর্বশেষটি ছিল কাতার বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে। তা ছাড়া ইউরোপীয় দলগুলোর বিপক্ষে প্রীতিম্যাচসহ টানা ১০টি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে হারের এক অদ্ভুত গেরোয় আটকে আছে তারা।