নেকলেস

আপডেট : ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩২ এএম

মানুষের অলংকার ব্যবহারের ইতিহাসে নেকলেস সবচেয়ে প্রাচীন। প্রতœতাত্ত্বিকদের মতে, প্রায় এক লাখ বছর আগে মানুষ ঝিনুক, পশুর দাঁত, হাড়, পাথর ও বীজ গেঁথে গলায় পরত। শুরুতে সৌন্দর্যের চেয়ে পরিচয়, মর্যাদা, ধর্মীয় বিশ্বাস এবং সুরক্ষার প্রতীক ছিল। পরবর্তী সময়ে প্রাচীন মিসর, মেসোপটেমিয়া, গ্রিস ও রোমের রাজপরিবার, অভিজাত শ্রেণি এবং ধর্মীয় নেতাদের অলংকারে নেকলেস গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে নেয়। সময়ের সঙ্গে সাধারণ মানুষের কাছেও এর ব্যবহার ছড়িয়ে পড়ে।

নকশা, দৈর্ঘ্য ও উপকরণের পার্থক্যে নেকলেসের রয়েছে নানা ধরন। চোকার, কলার, প্রিন্সেস, ম্যাটিনি, অপেরা ও রোপ এই ছয় ধরনের নেকলেস বিশ্বজুড়ে পরিচিত। এছাড়া পেনডেন্ট, লেয়ার্ড, স্টেটমেন্ট, মুক্তা, টেনিস, চেইন এবং বিডস নেকলেসও সমান জনপ্রিয়। সোনা, রুপা, প্লাটিনাম, মুক্তা, হীরা, রত্নপাথর, কাঠ, সিরামিক, কাচ কিংবা অক্সিডাইজড ধাতসহ বিভিন্ন উপকরণে তৈরি হয় নেকলেস।

এখন নেকলেস শুধু উৎসব বা বিয়ের সাজেই সীমাবদ্ধ নেই। মিনিমাল ডিজাইনের সূক্ষ্ম চেইনের পাশাপাশি বড় পেনডেন্ট, বহুস্তর বা লেয়ার্ড নেকলেস এবং হাতে তৈরি কারুশিল্পভিত্তিক নকশাও সমানভাবে জনপ্রিয়। পোশাক, ব্যক্তিত্ব ও উপলক্ষ অনুযায়ী নেকলেস নির্বাচন এখন স্টাইলের গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত