যুক্তরাষ্ট্রের আদালত কর্তৃক আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) প্রেসিডেন্ট ক্লদিও তাপিয়া এবং ট্রেজারার পাবলো তোভিগিনোকে তলব করার খবরটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য বলে দাবি করেছে সংস্থাটি।
তবে এএফএ স্বীকার করেছে যে, মার্কিন গ্র্যান্ড জুরির সামনে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য এবং তাদের কর্মকর্তা সহ বেশ কয়েকজন ব্যক্তির তথ্য বা প্রমাণ সরবরাহের জন্য এক তৃতীয় পক্ষকে সমন পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে দাবি করা হয়েছিল যে, সোমবার সকালে নিউ ইয়র্কের জেএফকে বিমানবন্দরে আর্জেন্টিনা দলের চার্টার্ড ফ্লাইটে ওঠার আগে এফবিআই এজেন্টরা তাপিয়া ও তোভিগিনোকে আটক করে এবং তাপিয়ার ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক ডিভাইস জব্দ করতে চায়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যমতে, রানওয়েতে পার্ক করা একটি বাসের ভেতরে মার্কিন ফেডারেল এজেন্টরা প্রায় ৩০ মিনিট তাপিয়া এবং তোভিগিনোকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
উল্লেখ্য, গত ডিসেম্বরে অর্থ পাচারের অনুসন্ধানে বেশ কয়েকটি জায়গায় তল্লাশি চালানোর পর আর্জেন্টিনার ফুটবল অর্থায়ন নিয়ে কঠোর নজরদারি শুরু হয়। সংবাদমাধ্যম ইনফোবে অনুযায়ী, এএফএ-সংক্রান্ত ৩০ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের বাণিজ্যিক চুক্তি নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ।
আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এক বিবৃতিতে জানায়, ক্লদিও তাপিয়া বা পাবলো তোভিগিনোকে মার্কিন বিচার বিভাগ তলব করেছে কিংবা তাদের মোবাইল ফোন বা ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে—এমন দাবি সম্পূর্ণ ভুয়া।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, "সংশ্লিষ্ট নথিতে এএফএ সভাপতি বা কোষাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে কোনো ব্যক্তিগত ব্যবস্থা, আদালতে উপস্থিত হওয়ার আদেশ কিংবা তাদের কোনো সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো নির্দেশ বা উল্লেখ নেই।"
নিউ ইয়র্ক ও নিউ জার্সির পোর্ট অথরিটি এ বিষয়ে মন্তব্য করতে না চেয়ে বিষয়টি এফবিআই-এর দিকে নির্দেশ করেছে। তবে এফবিআই মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
বিশ্বকাপে অংশ নেয়া আর্জেন্টিনা দলের সঙ্গে সোমবার রাতেই দেশে ফিরেছেন তাপিয়া।
তথ্যসূত্র: রয়টার্স