ঢাকার কেরানীগঞ্জের খোলামোড়া এলাকায় একটি খোলা জায়গা থেকে মমতাজ (৩০) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রবিবার (২৬ জুলাই) সকালে মরদেহটি উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের স্বজনদের দাবি, এটি পরিকল্পিত হত্যা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কেরানীগঞ্জ মডেল থানার খোলামোড়া টাইলস মসজিদের গলি এলাকায় জালাল মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া মমতাজের মরদেহ একটি চাদর দিয়ে ঢাকা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তারা পুলিশে খবর দিলে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহের হাতে কামড়ের চিহ্ন, পাশে জুতা এবং ধস্তাধস্তির আলামত পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
একই বাড়ির ভাড়াটিয়া ইমরান জানান, মমতাজের স্বামীর সঙ্গে খোলামোড়া মডেল টাউন এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। সম্প্রতি স্বামী তাকে ছেড়ে চলে যাওয়ার পর তিনি বড় বোন খুশী ও ভগ্নীপতি ইউনুস মিয়ার সঙ্গে একই এলাকায় বসবাস করছিলেন। শনিবার দুপুরে বাসা থেকে বের হওয়ার পর তিনি আর ফিরে আসেননি। আজ রবিবার সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মমতাজের সৎ মা সাহিদা খাতুন বলেন, তার বড় বোন খুসি ও ভগ্নীপতি ইউনুস মিয়া গ্রামের বাড়িতে যাওয়ায় মমতাজ বাসায় একাই ছিলেন। মমতাজ তার বয়সের চেয়ে ছোট এক ছেলের সাথে প্রেম করে বিয়ে করার কারনে তার সাথে পরিবারের অনেকের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো ছিল না। তাদের ধারণা, মমতাজকে হত্যা করা হয়েছে। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল কুদ্দুস বলেন, নিহত নারী সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে। এ ঘটনায় কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা প্রস্তুতি চলছে বলেও তিনি জানান।
কুমিল্লা সীমান্তে অনুপ্রবেশের চেষ্টা, নারী-শিশুসহ ৪ জনকে ফেরাল বিজিবি