স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য প্রচলিত ধারণার চেয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যকে গুরুত্ব দিন। নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন
সব চর্বি ক্ষতিকর নয়
চর্বিমুক্ত খাবার সব সময় স্বাস্থ্যকর নয়। বরং অলিভ অয়েল, বাদাম ও অ্যাভোকাডোর মতো স্বাস্থ্যকর চর্বি শরীরের জন্য প্রয়োজনীয়।
না খেয়ে ওজন কমে না
খাবার বাদ দিলে বিপাকক্রিয়া ধীর হয়ে যায় এবং পরে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা বাড়ে। নিয়মিত সুষম খাবারই ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
সব প্রোটিন এক নয়
সসেজ বা প্রক্রিয়াজাত মাংসের বদলে মাছ, মুরগি, ডিম, ডাল ও টোফুর মতো স্বাস্থ্যকর প্রোটিন বেছে নিন।
প্যাকেটজাত ফলের রস সব সময় ভালো নয়
অনেক ফলের রসে অতিরিক্ত চিনি থাকে। তাই সম্ভব হলে আস্ত ফল খাওয়াই বেশি উপকারী।
কার্বোহাইড্রেট পুরোপুরি বাদ দেবেন না
ওটস, লাল চাল, পূর্ণ শস্য, ফল ও শাকসবজির কার্বোহাইড্রেট শরীরকে শক্তি ও প্রয়োজনীয় ফাইবার দেয়। এগুলো এড়িয়ে চলা ঠিক নয়।
রাত ৭টার পর খেলেই ওজন বাড়ে এ ধারণা ভুল
ওজন বাড়া নির্ভর করে সারা দিনে কী এবং কতটা খাচ্ছেন তার ওপর। রাতের খাবারও হতে পারে স্বাস্থ্যকর ও পরিমিত।
পরিমিত কফি উপকারী হতে পারে
অতিরিক্ত কফি ক্ষতিকর হলেও পরিমিত পরিমাণে কফি পান শরীরকে চাঙ্গা রাখতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে, এটি টাইপ-২ ডায়াবেটিস ও হৃদ্রোগের ঝুঁকি কমাতেও ভূমিকা রাখতে পারে।
