কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে বেসরকারি ব্যাংক ও এনজিও থেকে নেওয়া ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে না পেরে সামেনা আক্তার (৩৯) নামের এক গৃহবধূ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। বুধবার (২৯ জুলাই) সকালে পৌরসভার হরিপুর গ্রামের দক্ষিণ-পশ্চিম পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সামেনা আক্তার ওই গ্রামের প্রবাসী আমিন উদ্দিনের স্ত্রী। আমিন উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে কর্মরত।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৮ জুলাই ছুটি নিয়ে দেশে ফেরেন আমিন উদ্দিন। তিনি আসার পর বিভিন্ন ব্যাংক ও এনজিও কর্মীরা পাওনা কিস্তির টাকার জন্য বাড়িতে আসা শুরু করেন। গৃহবধূর স্বামী এসব ঋণের বিষয়ে স্ত্রীর কাছে জানতে চাইলে তিনি কোনো উওর দিতে পারেননি। আজ বুধবার (২৯ জুলাই) সকালে পাওনাদার ও এনজিও কর্মীদের সঙ্গে আমিন উদ্দিনের বসার কথা ছিল। এর আগেই সকালে বসতঘরের ফ্যানের সঙ্গে গলায় রশি পেঁচিয়ে ফাঁস দেন সামেনা আক্তার। খবর পেয়ে নাঙ্গলকোট থানা-পুলিশ গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের স্বজনদের দাবি, বিভিন্ন ব্যাংক ও এনজিও মিলিয়ে সামেনা প্রায় ৩০ লাখ টাকার ঋণ ছিল। তবে কেন এবং কী কারণে তিনি এত টাকা ঋণ নিয়েছিলেন, সে বিষয়ে স্বজন বা পরিবারের কাউকে কিছু জানাননি।
এ বিষয়ে নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনূর ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে, ঋণের চাপে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ওই নারী আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
অডিটের নামে ঘুষ দাবি, দুর্নীতির বিরুদ্ধে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা