আসন্ন বিশ্বকাপগুলোতে ভালো করতে এবং বড় বাউন্ডারির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে এখন থেকেই নিজ দেশের মাঠগুলোর সীমানা বাড়িয়ে বড় করার পরামর্শ দিয়েছেন ভারতের কিংবদন্তি ক্রিকেটার সুনীল গাভাস্কার। বিখ্যাত ক্রীড়া ম্যাগাজিন ‘স্পোর্টস্টার’-এর কলামে নিজের মতামত প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি এই তাগিদ দেন।
মূলত আগামী বছরগুলোতে হতে যাওয়া বৈশ্বিক টুর্নামেন্টগুলোর কন্ডিশন মাথায় রেখেই এই পরামর্শ দিয়েছেন ভারতের সাবেক এই অধিনায়ক। ২০২৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা, নামিবিয়া ও জিম্বাবুয়েতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া পরবর্তী ওয়ানডে বিশ্বকাপের মাঠগুলোর বাউন্ডারি সাধারণত বেশ বড় হয়ে থাকে। ফলে ভারতীয় ব্যাটাররা যেন আগে থেকেই বড় বাউন্ডারির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ পান, সেজন্য আসন্ন হোম সেশনেই ঘরোয়া মাঠগুলোর বাউন্ডারি প্রসারিত করার পরামর্শ দিয়েছেন গাভাস্কার।
স্পোর্টস্টারের কলামে গাভাস্কার বলেন, ‘যখন ভারতের নতুন মৌসুম শুরু হবে, তখন বাউন্ডারির আকার বাড়ানো একেবারেই জরুরি, যাতে আমাদের ব্যাটাররা আগামী বছরের বিশ্বকাপের আগে সেটির সঙ্গে অভ্যস্ত হতে পারে।’
কীভাবে খুব সহজেই স্টেডিয়ামের বাউন্ডারি বাড়ানো সম্ভব, তার একটি বাস্তবসম্মত উপায়ও বাতলে দিয়েছেন গাভাস্কার। তিনি উল্লেখ করেন, ‘প্রতিটি মাঠেই এলইডি বিজ্ঞাপন বোর্ডের পেছনে মানুষের হাঁটার জন্য প্রচুর জায়গা রয়েছে। এই জায়গাটি ব্যবহার করা হলে বাউন্ডারির আকার স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেড়ে যাবে।’
শুধুমাত্র মাঠ বড় করাই নয়, বড় টুর্নামেন্টে সফল হতে ব্যাটারদের কৌশল এবং শট নির্বাচনের ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তনের কথা বলেছেন গাভাস্কার। ওয়ানডে ফরম্যাটের ব্যাটিং কৌশল নিয়ে তিনি বলেন, ‘স্মার্ট ক্রিকেট খেলা জরুরি। তাই কোন বোলারের ওপর চড়াও হতে হবে না, তা খুঁজে বের করুন…বিশ্বের কোনো দলেই পাঁচজন সেরা বোলার থাকে না এবং টি-টোয়েন্টি খেলায় সবসময় ৮ থেকে ১২ ওভার পাওয়া যায় যেখানে রান লুটে নেওয়া যায়। একইভাবে, ৫০ ওভারের ফরম্যাটেও ৩৮০-এর বেশি লক্ষ্য তাড়া করা সম্ভব।’
মেসির জন্য পাল্টে যায় হলিউড শুটিং সেটের নিয়ম 